
১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। অপেক্ষার আর মাত্র ১১ দিন। বাজেটের আগে থেকেই চড়ছে প্রত্যাশার পারদ। কৃষি থেকে শুরু করে হাউজিং সেক্টর-সব সেক্টরই অপেক্ষা করছে বড় ঘোষণার। তবে কৃষিখাত এখন মোটেই সবচেয়ে ভালো সময়ের মধ্যে নেই। ফলে এই সেক্টরের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা সীতারমনের থেকে আরও বেশি কিছুর প্রত্যাশা করছেন।
পরিসংখ্যান বলছে, চলতি আর্থিক বছরে জিডিপির প্রায় ১৭ শতাংশ অবদান রেখেছে কৃষিখাত। কিন্তু বৃদ্ধির রেট এখনও দুর্বল। তাই কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে কৃষিখাতের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন এনসিডিইএক্সের এমডি এবং সিইও ডঃ অরুণ রাস্তে।
অরুণ রাস্তে বলেন, কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে সরকার বিশেষভাবে কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী ও বাজার ব্যবস্থার উন্নতির উপর মনোযোগ দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি আশা করেছেন, এবারের বাজেটে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য উচ্চ-উৎপাদনশীল এবং জলবায়ু-প্রতিরোধী বীজ বিকাশের জন্য কৃষি গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য বাজেট বরাদ্দ করা হবে।
পাশাপাশি তিনি জানান, যদি কমোডিটি ট্রানজাকশন ট্যাক্স আরও সহজ করা হয় বা সরিয়ে ফেলা হয় ও কমোডিটি ডেরিভেটিভের উপর GST সংক্রান্ত নিয়ম আরও সরল করা হয়, তবে কৃষকদের জন্য বিষয়টি অপেক্ষাকৃত অনেক সহজ হবে। এছাড়াও, অ্যাগ্রি ব্যাঙ্ক, বিমা কোম্পানি যদি আরও অ্যাক্টিভ হয় এবং কৃষি-ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড হেজিং সহায়তার সঙ্গে যুক্ত করা হয়, তবে বাজার আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি ফসলের দাম নিয়েও কৃষকদের আরও সুরক্ষা দেওয়া যাবে।
একইসঙ্গে বিশেষজ্ঞ জানান, যদি গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার জন্য বিশেষ স্কিল ভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রামগুলিতেও শুরু করা যায়, তবে একদিকে যেমন গ্রামের উন্নতি হবে, তেমনই শহরে অভিবাসনও কমবে।