
১ ফেব্রুয়ারি পেশ হতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাজেট। তার আগে কর ব্যবস্থার পরিবর্তনের বিষয়ে লাফিয়ে বাড়ছে প্রত্যাশা। বিশেষ করে বেতনভোগী মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য স্বস্তি, কর ব্যবস্থার সরলীকরণ এবং করের বোঝা কমানোর দাবি উঠেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০২৬ সালের বাজেটে কর ছাড়ের স্ল্যাব বৃদ্ধি, স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন বৃদ্ধির মতো পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এছাড়াও, আয়করে কাঠামোগত সংস্কার ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং-এর মাধ্যমে স্বচ্ছতা বৃদ্ধির আশা করা হচ্ছে।
আইএমআই দিল্লির ফিন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং বিভাগের অ্যাসিসট্যান্ট অধ্যাপক শিখা ভাটিয়া মনে করছেন, আসন্ন বাজেটে বেতনভোগী মধ্যবিত্তদের কিছুটা স্বস্তি দেওয়া উচিত। যাতে পরিবারের ক্ষেত্রে মধ্যবিত্ত চাকুরিজীবীরা কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। পাশাপাশি তিনি আশা করছেন, এবারের বাজেটে স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ১ লক্ষ পর্যন্ত বাড়ানো হবে। এছাড়াও, টিডিএস এবং টিসিএস সম্পর্কিত নিয়মগুলি সরল করা গুরুত্বপূর্ণ। শিখা ভাটিয়া জানাচ্ছেন, বাজেটে আয়কর রিটার্ন প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করা উচিত। এছাড়াও, দ্রুত রিফান্ডও কনফার্মেও জোর দেওয়া উচিত।
আইএমআই দিল্লির ফিন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং বিভাগের অ্যাসিসট্যান্ট অধ্যাপক প্রতীক বেদী জানাচ্ছেন, ২০২৬ সালের বাজেটে আয়করের স্ল্যাবের দিকে নজর দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, কর ব্যবস্থাকে আরও সহজ করা উচিত। তিনি কর কাঠামোর সংস্কারের উপরও জোর দিয়েছেন। তাঁর মতে, প্যান-আধার লিঙ্কিংয়ের মাধ্যমে জিএসটি ট্র্যাকিং আরও জোরদার করতে হবে।
কখন বাজেট পেশ করা হবে?
রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সকাল ১১টার সময় সংসদে বাজেট ভাষণ শুরু করবেন তিনি। সাধারণত বাজেট ভাষণ এক ঘণ্টা থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এতে আগামী অর্থবর্ষের সরকারি ব্যয় পরিকল্পনা, কর সংক্রান্ত প্রস্তাবের বিস্তারিত বর্ণনা উঠে আসে।