Advertisement

Content Creator ও Influencer তৈরি হবে স্কুল-কলেজের ল্যাবে, কী শেখানো হবে?

এবার স্কুলে স্কুলে পড়ুয়াদের শেখানো হবে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন। হাতে-কলমে কন্টেন্ট বানানো শেখানো হবে। এমনটাই ঘোষণা করা হয়েছে এবারের বাজেটে। কীভাবে দক্ষ কন্টেন্ট ক্রিয়েটার তৈরি করা হবে? কর্মসংস্থানের সুযোগই বা কতটা রয়েছে?

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 01 Feb 2026,
  • अपडेटेड 6:12 PM IST
  • পড়ুয়াদের শেখানো হবে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন

চলতি বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে জেন জি- মন পেতে এবং বর্তমান টেক স্যাভি প্রজন্মের জন্য বড় ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। কনটেন্ট ক্রিয়েশন, ডিজাইন ও অ্যানিমেশনের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। এই বিষয়গুলিকে প্রান্তিক শিল্পকলা বা নিছক এন্টারটেইনমেন্ট হিসেবে না দেখে ডিজিটাল অর্থনীতিও যে কর্মসংস্থানের একটি বড় মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে, তা প্রতিফলন দেখা গিয়েছে এই বাজেটে। 

স্কুল ও কলেজে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব

একটি নতুন ও সাহসী উদ্যোগ হিসেবে দেশের ১৫ হাজার মাধ্যমিক স্কুল এবং ৫০০ কলেজে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব স্থাপন করার ঘোষণা করা হয়েছে। এই ল্যাবগুলিকে সহায়তা দেবে মুম্বইয়ের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিস। এর উদ্দেশ্য হল, অল্প বয়স থেকেই শিক্ষার্থীদের অ্যানিমেশন কমিক্স, গেমিং ও ডিজিটাল স্টোরিটেলিংয়ের প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং এই সুযোগকে মেট্রো শহরের বাইরেও পৌঁছে দেওয়া। 

অরেঞ্জ ইকোনমিতে বড়সড় উদ্যোগ
এই বাজেট অরেঞ্জ ইকোনমিক, অ্যানিমেশন, ভিজুয়াল এফেক্টস, গেমিং ও কমিক্স খাতে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা আরও জোরদার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ভিজুয়াল এফেক্টস, গেমিং ও কমিক্স শিল্পে প্রায় ২০ লক্ষ দক্ষ পেশাদার মানুষের প্রয়োজন হবে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার খুব প্রাথমিক স্তর থেকেই প্রতিভা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নিচ্ছে।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাবের পাশাপাশি বাজেটে পূর্ব ভারতে একটি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডিজাইন স্থাপনের ঘোষণাও করা হয়েছে। দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া ডিজাইন শিল্পে দক্ষদের ঘাটতি পূরণ করা এবং নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে এই শিক্ষাকে আবদ্ধ না রাখাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য। 

কীভাবে তৈরি হবে ভারতের ভবিষ্যৎ কন্টেন্ট ক্রিয়েটাররা?
> প্রশিক্ষণ: শিক্ষার্থীরা অ্যানিমেশন, ভিজুয়াল এফেক্টস, গেমিং ও কমিক্সে হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জন করবে। 
> দক্ষতা উন্নয়ন: শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা গড়ে তোলায় গুরুত্ব দেওয়া হবে। 
> শিল্প-শিক্ষা সংযোগ: মুম্বইয়ের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিসের সঙ্গে সহযোগিতায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান তৈরি হবে। 
দেশব্যাপী বিস্তার: ১৫ হাজার স্কুল ও ৫০০ কলেজে ল্যাব স্থাপনের ফলে সারা দেশে সুযোগ পৌঁছবে। 
উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতা: নতুন ভাবনা ও মৌলিক কন্টেন্ট তৈরিতে উৎসাহ দেওয়া হবে। 
কেরিয়ার তৈরি: ডিজিটাল মিডিয়া ও বিনোদন শিল্পের নতুন নতুন পেশার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করা হবে। 
বিশ্বমঞ্চে ভারতের অবস্থান মজবুত করা: ভিজুয়াল এফেক্টস, গেমিং, কমিক্স শিল্পে কর্মশক্তি গড়ে তুলে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। 
 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement