Advertisement

India-US Trade Deal: EU-এর পর এবার ট্রাম্পের সঙ্গেও ডিল, বড় ইঙ্গিত দিল মোদী সরকার

ভারতের উপর শুল্ক চাপিয়ে রেখেছে আমেরিকা। ৫০ শতাংশ ট্যারিফ রয়েছে ভারতীয় পণ্যের উপর। যার ফলে মার খাচ্ছে ব্যবসা। তাই গত এক বছরে বারবার করে সামনে আসছে ভারত এবং আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তির বিষয়টি। আর এই চুক্তি সম্পর্কে খোলসা হল অর্থনৈতিক সমীক্ষায়।

ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তিভারত-আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Jan 2026,
  • अपडेटेड 2:52 PM IST
  • ভারতের উপর শুল্ক চাপিয়ে রেখেছে আমেরিকা
  • ৫০ শতাংশ ট্যারিফ রয়েছে ভারতীয় পণ্যের উপর
  • এই চুক্তি সম্পর্কে খোলসা হল অর্থনৈতিক সমীক্ষায়

ভারতের উপর শুল্ক চাপিয়ে রেখেছে আমেরিকা। ৫০ শতাংশ ট্যারিফ রয়েছে ভারতীয় পণ্যের উপর। যার ফলে মার খাচ্ছে ব্যবসা। তাই গত এক বছরে বারবার করে সামনে আসছে ভারত এবং আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তির বিষয়টি। আর এই চুক্তি সম্পর্কে খোলসা হল অর্থনৈতিক সমীক্ষায়। সেখানে আশা করা হয়েছে ২০২৬ সালের মধ্যে এই চুক্তি ফাইনাল হয়ে যাবে। এখন চলছে দুই পক্ষের দরাদরি পর্ব।

এই রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে যে আমেরিকার শুল্কের পরও চলতি আর্থিক বছরে ভাল ফল করেছে ভারতের অর্থনীতি। আর এই দারুণ আর্থিক ফলের জন্য নরেন্দ্র মোদী সরকারকেই বাহবা দেওয়া হয়েছে রিপোর্টে। 

আমেরিকা শুল্ক বসানোর পরই মোদী সরকার কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যার ফলে আমেরিকার শুল্ক, সারা বিশ্বে চাহিদা কম থাকা এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকার পরও ভারতের অর্থনীতি চড়েছে।

জিডিপি বাড়ার কারণ কী? 
এই ইকোনোমিক সার্ভেতে ২০২৫-২৬ সালের ভারতের শক্তিশালী আর্থিক অবস্থার কথা তুলে ধরা হয়। এই সার্ভেতে জানান হয়েছে, মূলত দেশীয় চাহিদার উপর ভর করেই ৭.৪ শতাংশ হারে বেড়েছে ডিজিপি। এখানে আরও দাবি করা হয় পরিকাঠামোগত উন্নতি এবং ফিসকাল ডিসিপ্লিনের জন্যই বৃদ্ধি পেয়েছে অর্থনীতি। যার ফলে ৪.৮ শতাংশ হতে পারে ফিসকাল ডেফিসিট। 

এই সার্ভেতে আরও জানান হয়, ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা অনেকটাই বৃদ্ধি পয়েছে। শহর এবং গ্রামের চাহিদার মধ্যে রয়েছে ভারসাম্য। পাশাপাশি পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বেড়েছে বিনিয়োগ বেড়েছে। যার ফলে তৈরি হয়েছে নিত্যনতুন কর্মসংস্থান। এমনকী সরকারও রাস্তা, রেল, লজিস্টিক এবং ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচারে বিনিয়োগ করেছে। সেটাও অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। 

রফতানির দিকে নজর সরকারের
এই ইকোনোমিক সার্ভেতে জানান হয়েছে যে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিটের জন্য টাকার ভ্যালু কিছুটা কম রয়েছে। তবে আমেরিকার শুল্কের জন্য টাকার এই দুর্বলতা খুব একটা খারাপ কিছু নয়। কিন্তু ভারতীয় মুদ্রাকে স্থির করতে ম্যানুফাকচারিং এক্সপোর্ট করতে হবে। এছাড়া ভ্যালু অ্যাডেড এবং টেকনোলিজ সেক্টরে এক্সপোর্ট বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। 

Advertisement

এখানেই শেষ নয়, এই সার্ভেতে প্রথমবারের জন্য AI-এর উল্লেখ করা হয়েছে। যোগ করা হয়েছে একটি চ্যাপ্টার। অর্থাৎ সরকার যে পুরোপুরি প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যেতে চাইছে, সেটা স্পষ্ট। আবার সরকারের পক্ষ থেকে সোনা-রুপোর দামের দিকে নজর রাখার বার্তাও দেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, বিশ্ব বাজারই এই দুই ধাতুর দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement