Advertisement

India US Deal: কবে থেকে ১৮% ট্যারিফ হবে ফাইনাল? ভারত-US বাণিজ্য চুক্তির বড় আপডেট

ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি একবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এবার এই ডিলে দুই পক্ষের সই করার পালা। আর এই চুক্তি ফাইনাল করতে পরের সপ্তাহেই আমেরিকা যাচ্ছে ভারতীয় দল। এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল। 

ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তিভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 17 Feb 2026,
  • अपडेटेड 2:26 PM IST
  • ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি একবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে
  • এবার এই ডিলে দুই পক্ষের সই করার পালা
  • এই চুক্তি ফাইনাল করতে পরের সপ্তাহেই আমেরিকা যাচ্ছে ভারতীয় দল

ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি একবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এবার এই ডিলে দুই পক্ষের সই করার পালা। আর এই চুক্তি ফাইনাল করতে পরের সপ্তাহেই আমেরিকা যাচ্ছে ভারতীয় দল। এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল। 

কবে সই হবে?
তিনি জানান, ভারতের চিফ নেগোশিয়েটর দর্পন জৈন একটি দল নিয়ে ওয়াশিংটন যাবেন পরের সপ্তাহেই। তিনি ভারত-আমেরিকা ট্রেড ডিলের লিগাল অ্যাগ্রিমেন্ট ফাইনাল করে ফেলবেন। এই সফর শুরু হবে ২৩ ফেব্রুয়ারি। আর চুক্তিতে সই হতে পারে মার্চ মাসে।

প্রসঙ্গত, এই মাসের প্রথম দিকেই জয়েন্ট ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যৌথ বিবৃতি দেয় ভারত এবং আমেরিকা। আগরওয়াল জানান, ওই যৌথ বিবৃতিতেই চুক্তির বিষয়টা অনেকটা বোঝা যায়। বর্তমানে ভার্চুয়ালি দুই দলের মধ্যে চুক্তি নিয়ে আরও দরাদরি চলছে। সেটাই ফাইনাল হয়ে যাবে। 

ভারত-আমেরিকা ট্রেড ডিল
রাজেশ আগরবাল জানান, সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের চেষ্টা করা হচ্ছে। চেষ্টা করা হচ্ছে যেন তেন প্রকারেণ মার্চের মধ্যেই এই চুক্তিতে সাক্ষর করে নেওয়া। 

যদিও তিনি কোনও ডেডলাইন দিতে চাইছেন না। কারণ, এখনও এই চুক্তিতে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। পাশাপাশি আইনি নানা দিক রয়েছে। তাই সময় একটু লাগলেও লাগতে পারে। 

মাথায় রাখতে হবে, ইতিমধ্যেই ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে ১৮ শতাংশে নামানো হয়েছে। এছাড়া রাশিয়ার থেকে তেল কেনার জন্য যেই ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয়েছিল, সেটাও তুলে নেওয়া হয়েছে। আর এই চুক্তিই অবশেষে সাক্ষর হতে চলেছে।

ইটি সূত্রে খবর, ভারত প্রচুর পরিমাণে তুলো আমদানি করে। আর সেই আমদানি আরও বাড়তে পারে। কারণ, আমেরিকা এবং ইউরোপে তারা টেক্সটাইল রফতানি বাড়াতে চায়। এছাড়া এই ডিল হলে কৃষিক্ষেত্রে ৪০০ বিলিয়ন ডলারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। সুতরাং চিন্তার কোনও কারণ নেই।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement