Advertisement

Government Work: গাধা পালনের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা দেবে সরকার, জেনে নিন কীভাবে

শুনলে অবাক লাগতে পারে, কিন্তু এটাই বাস্তব। গাধা পালন করলে মিলতে পারে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তা। শুধু গাধাই নয়, ঘোড়া ও উট পালনেও একই রকম ভর্তুকির সুযোগ রয়েছে। কেন্দ্রের National Livestock Mission (এনএলএম) প্রকল্পের আওতায় এই সুবিধা মিলবে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রের National Livestock Mission (এনএলএম) প্রকল্পের আওতায় এই সুবিধা মিলবে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের National Livestock Mission (এনএলএম) প্রকল্পের আওতায় এই সুবিধা মিলবে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 Mar 2026,
  • अपडेटेड 3:03 PM IST
  • শুনলে অবাক লাগতে পারে, কিন্তু এটাই বাস্তব।
  • গাধা পালন করলে মিলতে পারে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তা।
  • শুধু গাধাই নয়, ঘোড়া ও উট পালনেও একই রকম ভর্তুকির সুযোগ রয়েছে।

শুনলে অবাক লাগতে পারে, কিন্তু এটাই বাস্তব। গাধা পালন করলে মিলতে পারে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তা। শুধু গাধাই নয়, ঘোড়া ও উট পালনেও একই রকম ভর্তুকির সুযোগ রয়েছে। কেন্দ্রের National Livestock Mission (এনএলএম) প্রকল্পের আওতায় এই সুবিধা মিলবে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে। ক্রমহ্রাসমান গাধার সংখ্যা রুখতেই এই বিশেষ উদ্যোগ। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২০তম পশুগণনায় দেশে গাধার সংখ্যা ছিল মাত্র প্রায় ১.২৩ লক্ষ। ২০১২ সালের তুলনায় যা প্রায় ৬০ শতাংশ কম। এক সময় ইট-বালি, নির্মাণ সামগ্রী বা গ্রামীণ পরিবহণে গাধার ব্যাপক ব্যবহার থাকলেও আধুনিক যন্ত্রের দাপটে সেই প্রয়োজন কমেছে। ফলস্বরূপ, দ্রুত কমেছে গাধার সংখ্যা। এই প্রেক্ষাপটেই গাধা, ঘোড়া ও উট; এই তিন প্রজাতিকে সংরক্ষণ ও প্রজননে উৎসাহ দিতে বিশেষ ভর্তুকি ঘোষণা করেছে কেন্দ্র।

কী এই ন্যাশনাল লাইভস্টক মিশন? ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল পশুপালন খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, উন্নত প্রজনন, দুধ, মাংস, উল ও পশুখাদ্য উৎপাদন বাড়ানো। ২০২১-২২ সাল থেকে প্রকল্পটিকে আরও বিস্তৃত করা হয়। নতুন সংযোজনে গাধা-ঘোড়া-উট পালনকারীরাও ভর্তুকির আওতায় আসেন।

প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, ব্যক্তি উদ্যোগ, এফপিও, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, জয়েন্ট লাইয়াবিলিটি গ্রুপ বা সেকশন ৮ কোম্পানি; সকলেই আবেদন করতে পারেন। মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি মিলবে, যার সর্বোচ্চ সীমা ৫০ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ, যদি কোনও উদ্যোক্তার প্রকল্প ব্যয় ১ কোটি টাকা হয়, তবে কেন্দ্রীয় ভর্তুকি হিসেবে ৫০ লক্ষ টাকা পাওয়া সম্ভব।

তবে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত রয়েছে। গাধা পালনের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ইউনিট হতে হবে ৫০টি মাদি ও ৫টি পুরুষ গাধা নিয়ে। শুধুমাত্র দেশি প্রজাতির ক্ষেত্রেই ভর্তুকি প্রযোজ্য; বিদেশি জাতের জন্য এই সুবিধা নেই। ভর্তুকির অর্থ দু’দফায় দেওয়া হয়; প্রথমে ব্যাঙ্ক ঋণ মঞ্জুরির পর, এবং পরে প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে। ঘোড়ার ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১০টি মাদি ও ২টি পুরুষ ঘোড়া থাকতে হবে। উটের ক্ষেত্রে ইউনিট সাইজ অনুযায়ী ৩ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি মিলতে পারে।

Advertisement

সরকার আরও জানিয়েছে, যদি কোনও রাজ্য সরকার গাধা-ঘোড়া-উটের জাত সংরক্ষণে উদ্যোগী হয়; যেমন বীর্য সংরক্ষণ কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াস প্রজনন ফার্ম স্থাপন; তবে কেন্দ্রীয় সহায়তা হিসেবে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হতে পারে।

বর্তমানে জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, কর্নাটক ও অন্ধ্রপ্রদেশে তুলনামূলক বেশি গাধা রয়েছে। তবে বহু রাজ্যে সংখ্যা নেমে এসেছে হাতে গোনা কয়েকটিতে। এই পরিস্থিতিতে পশুসম্পদ সংরক্ষণ ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করাই সরকারের লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

আবেদন করতে হলে সরকারি পোর্টাল nlm.udyamimitra.in-এ লগইন করে প্রকল্প প্রস্তাব জমা দিতে হবে। ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে প্রকল্প শুরু করলে ভর্তুকির অর্থ সরাসরি প্রাপকের হিসাবে দেওয়া হবে। গ্রামীণ উদ্যোগ, পশুপালন ব্যবসা এবং স্বনিযুক্তির ক্ষেত্রে এই প্রকল্প বড় সুযোগ এনে দিতে পারে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।   

Read more!
Advertisement
Advertisement