
দিল্লির ৪ সরকারি হাসপাতালে বিপুল নিয়োগ। ৪০০২ ডাক্তার এবং চিকিৎসাকর্মী নিয়োগ করা হবে বলে খবর। আর এত সংখ্যক নিয়োগের মাধ্যমে সরকারি হাসপাতালের উপর চাপ কমাতে চাইছে দিল্লি সরকার বলে জানিয়েছেন এক আধিকারিক। এই মর্মে একটি প্রস্তাবে ছাড়পত্র দিয়েছেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনাও।
দিল্লি সরকারের পক্ষ থেকে ৪ হাসপাতালে ১৫১৫টি বেড বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। আর সেই কারণেই প্রায় ৪০০০ প্লাস নিয়োগ হতে চলেছে বলে জানান হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।
সেই আধিকারিক জানিয়েছেন, হাসপাতালের পরিকাঠামো অনেক দিনই বাড়ানো হয়েছে। তবে পরিমিত সংখ্যক চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মী না থাকায় নতুন পরিকাঠামোকে কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছিল না। তাই নতুন এই নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগের জন্য বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছে ৪০৮ কোটি টাকা।
কোন কোন পেস্টে নিয়োগ?
যতদূর খবর, ডাক্তার, সার্জেন, সিনিয়র রেসিডেন্ট, স্পেশালিস্ট, নার্স, নার্সিং অ্যাটেনডেন্ট, টেকনিসিয়ান, প্যারামেডিক্যাল স্টাফ, অ্যাডমিন অফিসার, ক্লার্ক এবং সিকিউরিটি নেওয়া হবে।
কতগুলি পদ পার্মানেন্ট?
সরকারের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, ৪০০২টি পদের মধ্যে ৩০৩১টি হল স্থায়ী পদ। আর ৯৭১টি পজিশনে আউটসোর্সিং করা হবে।
কোন হাসপাতালে কত বেড?
১৭৩৭ পদ রয়েছে সন্ত দুরবল নাথজি ট্রমা সেন্টার। সেখানে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ৩৬২ বেডের ট্রমা ব্লক চালু হয়েছে।
আম্বেদকর নগর হাসপাতালে ৪০০টি নতুন বেডের জন্য ৬৬৬টি স্টাফ নেওয়া হবে। আবার গুরু গোবিন্দ হাসপাতালে নতুন ৪৭২টি বেডের জন্য ১৪৯১টি পোস্টে নিয়োগ হবে বলে খবর।
এছাড়া শ্রী দাদা দেব মৈত্রী আভুম শিশু চিকিৎসালয়ে ৫২০টি শূন্যপদ খালি রয়েছে। সেখানে বাড়ানো হয়েছে ২৮১টি বেড।
নিয়োগ প্রসঙ্গে কী বলেছে লেফ্টান্যান্ট গভর্নরের সেক্রেটরিয়েট?
আম আদমি পার্টি দিল্লির হাসপাতালে কর্মী সংখ্যা এবং পরিকাঠামো বৃদ্ধির কাজে একবারে ব্যর্থ। বছরের পর বছর এই সব হাসপাতালগুলি ঠিক মতো ব্যবহারই হয়নি। এমনকী বেড বাড়ানোর পরও শুধুমাত্র কর্মী শূন্যতার জন্য পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
শুধু তাই নয়, তাদের পক্ষ থেকে জানান হয়, দিল্লির হাসপাতালের চিকিৎসকেরা রাতদিন এক করে কাজ করেছে। তাঁরা অতিরিক্ত চাপে ক্লান্ত। পাশাপাশি হাসপাতালের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগও করা হয়েছে আপ-এর বিরুদ্ধে।
কীভাবে নিয়োগ, যোগ্যতা কী?
এই বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানান হয়নি। আরও বিশদে জানতে দিল্লির স্বাস্থ্য দফতরের এবং নির্দিষ্ট হাসপাতালগুলির ওয়েবসাইটে নজর রাখতে হবে।