
India Post GDS Vacancy: কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির খোঁজে থাকা চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় সুযোগ। দেশ জুড়ে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল ভারতীয় ডাক বিভাগ। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামীণ স্তরে পরিষেবা জোরদার করতে প্রায় ২৮ হাজারেরও বেশি পদে কর্মী নেওয়া হবে। দেশের ২৩টি পোস্টাল সার্কেলে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া চলবে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সার্কেলেই রয়েছে প্রায় তিন হাজারের কাছাকাছি শূন্যপদ। ডাক দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, গ্রামীণ ডাক সেবক (GDS), ব্রাঞ্চ পোস্টমাস্টার (BPM) এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্রাঞ্চ পোস্টমাস্টার (ABPM) পদে নিয়োগ করা হবে। সম্পূর্ণ অনলাইন পদ্ধতিতে আবেদন গ্রহণ করা হবে। নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে আবেদন জমা দিতে হবে প্রার্থীদের।
কোথায়, কীভাবে আবেদন করবেন?
আবেদন শুরু ৩১ জানুয়ারি থেকে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রার্থীদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে ফর্ম পূরণ করতে হবে। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি। আবেদন ফি জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ ফেব্রুয়ারি। চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি বলে জানানো হয়েছে।
বয়সসীমা
আবেদনকারীর ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ বয়স ৪০ বছর। তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি ও অন্যান্য সংরক্ষিত শ্রেণির প্রার্থীরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সে ছাড় পাবেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষা উত্তীর্ণ হলেই আবেদন করা যাবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই নিয়োগে কোনও লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে না। মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতেই মেধাতালিকা প্রস্তুত করা হবে। ফলে পরীক্ষার ঝক্কি ছাড়াই সরাসরি মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন প্রার্থীরা।
বেতন কাঠামো
গ্রামীণ ডাক সেবক ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্রাঞ্চ পোস্টমাস্টার পদে মাসিক পারিশ্রমিক ১০,০০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ প্রায় ২৪ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। ব্রাঞ্চ পোস্টমাস্টার পদে বেতন তুলনামূলক বেশি। প্রায় ১২,০০০ টাকা থেকে শুরু করে প্রায় ২৯ হাজার টাকা পর্যন্ত।
আবেদন ফি
সাধারণ ও অন্যান্য শ্রেণির প্রার্থীদের জন্য আবেদনমূল্য ধার্য হয়েছে ১০০ টাকা। তবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং মহিলা প্রার্থীদের ক্ষেত্রে আবেদন ফি মকুব করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
সরকারি চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা যখন তুঙ্গে, তখন এত বিপুল শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গ্রামীণ স্তরে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বড় ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। মাধ্যমিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য এটি এক উল্লেখযোগ্য সুযোগ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পূর্ণ করা এবং প্রয়োজনীয় নথি সঠিক ভাবে আপলোড করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।