Advertisement

Paper Leak Punishment: বাংলার পড়শি রাজ্যে প্রশ্নপত্র ফাঁসে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, জরিমানা ১০ কোটি

Paper Leak Punishment: এই আইনে, প্রতিযোগী পরীক্ষার্থী পেপার লিক করলে কমপক্ষে ১০ বছর জেল এবং সর্বাধিক আজীবন কারাদন্ডে শাস্তিপ্রাপ্ত হবে। পাশাপাশি ১০ কোটি টাকা জরিমানা দিতে হবে। এমনই আইন নিয়ে এসেছে ঝাড়খন্ড। ঝাড়খন্ড প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা অধিনিয়ম ২০২৩ অনুসারে এটি লাগু করা হবে।

এবার প্রশ্নপত্র ফাঁস করলে হতে পারে যাবজ্জীবন, ১০ কোটি টাকা জরিমানাএবার প্রশ্নপত্র ফাঁস করলে হতে পারে যাবজ্জীবন, ১০ কোটি টাকা জরিমানা
Aajtak Bangla
  • রাঁচি,
  • 30 Nov 2023,
  • अपडेटेड 10:11 PM IST

Paper Leak Punishment: পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করলে যাবজ্জীবন এবং ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হবে।রাজ্যপাল এই নতুন আইনে মঞ্জুরি দিয়ে দিয়েছে। ভারতের একটি রাজ্যে এমনই কঠোর আইন পাশ হতে চলেছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পেপার লিক এবং নকল করা রুখতে এই নতুন আইন জারি হতে চলেছে। রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণন বিধানসভা তে গত অগাস্টে বিল পাস করে দিয়েছেন রাজ্য সরকার দ্বারা জানানো হয়েছে যে এই বিল আইন এ পরিণত হবে।

এই আইনে, প্রতিযোগী পরীক্ষার্থী পেপার লিক করলে কমপক্ষে ১০ বছর জেল এবং সর্বাধিক আজীবন কারাদন্ডে শাস্তিপ্রাপ্ত হবে। পাশাপাশি ১০ কোটি টাকা জরিমানা দিতে হবে। এমনই আইন নিয়ে এসেছে ঝাড়খন্ড। ঝাড়খন্ড প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা অধিনিয়ম ২০২৩ অনুসারে এটি লাগু করা হবে।

আইনে কী বলা হয়েছে?

আরও পড়ুন

এতে বলা হয়েছে যে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কোনও পরীক্ষার্থী প্রথমবার নকল করতে গিয়ে ধরা পড়লে তার এক বছরে জেল হবে এবং পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা হবে। দ্বিতীয়বার যদি ধরা পড়ে তাহলে তিন বছরের জেল এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা হবে তার। যদি কোনও পরীক্ষার্থী নকল করতে গিয়ে সাজাপ্রাপ্ত হয় তাহলে পরবর্তী ১০ বছর পর্যন্ত কোনও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসতে পারবে না। পেপার লিক এবং নকলের সঙ্গে জড়িত মামলার কোনও রকম প্রাথমিক তদন্ত এবং এফআইআর এবং গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পেপারলিক এবং কোনও প্রতিযোগী পরীক্ষার্থী বিষয়েৃ তথ্য আদান প্রদান করলে এই আইনের আওতাভুক্ত হবে। আইনটি রাজ্য লোকসভা আয়োগ রাজ্য কর্মচারী নির্বাচন আয়োগ, ভর্তি এজেন্সি সহ বিভিন্ন সরকারি পরীক্ষার ক্ষেত্রে লাগু হবে।

বিলের বিরোধিতা

এই আইনের পক্ষে অগাস্টে সরকারি দলের বেশিরভাগ বিধায়ক এর পক্ষে থাকলেও বিপক্ষে অর্থাৎ বিজেপি এবং তাদের সহযোগী দলগুলির একাধিক বিধায়ক এর বিরোধিতা করে। বিশেষ করে প্রাথমিক তদন্ত ছাড়া জেল পাঠানোর এই আইনের অপব্যবহার হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা ব্যক্ত করেন। যদিও তা রাজভবন অর্থাৎ রাজ্যপালের মঞ্জুরি মিলে গিয়েছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement