Advertisement

Supreme Court On West Bengal: SIR-এর শুনানিতে BLA-দের কেন যেতে দেওয়া হচ্ছে না? নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

প্রধান বিচারপতি নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীকে সাফ জানান, শুনানির সময় যে ব্যক্তিকে ডাকা হবে তাঁর সঙ্গে পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা রাজনৈতিক দলের কারও যাওয়ার অধিকার রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টে SIR মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে SIR মামলার শুনানি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ও কলকাতা ,
  • 19 Jan 2026,
  • अपडेटेड 5:22 PM IST
  • BLA-দের কেন শুনানি কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হচ্ছে না?
  • নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

শুনানির জন্য কাউকে ডাকা হলে তাঁর সঙ্গে বুথ লেভেল এজেন্ট বা BLA-দের যেতে দেওয়া হচ্ছে না কেন? সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশন। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গের SIR মামলায় এই মন্তব্য করেন দেশের শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সূর্য কান্ত। 

প্রধান বিচারপতি নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীকে সাফ জানান, শুনানির সময় যে ব্যক্তিকে ডাকা হবে তাঁর সঙ্গে পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা রাজনৈতিক দলের কারও যাওয়ার অধিকার রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছিল, শুনানিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া কাউকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। তারই প্রেক্ষিতে আদালতের প্রশ্ন, একদিকে কমিশন জানিয়েছে, SIR প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ অনিবার্য, অন্যদিকে সেই কমিশনই কেন তাদের বাধা দিচ্ছে? 

রাজ্য সরকারের হয়ে আজ মামলা লড়েন সিনিয়র আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি জানান, SIR প্রক্রিয়ার অধীনে প্রায় আড়াই কোটি মামলার শুনানি হয়নি। সেখানে মাত্র ৩ লাখ নথি যাচাই করা হয়েছে। হিসেব মতো ১৯০০-রও বেশি শুনানি কেন্দ্রের প্রয়োজন। অথচ বাস্তবে তা হচ্ছে না। 

সিব্বল আরও অভিযোগ করেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে বাবা ও সন্তানের বয়সের মধ্যে ১৫ বছরের তফাৎ, নামের বা বানানে অমিল থাকলে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশ, ভারতে বাল্য বিবাহের মতো ঘটনা ঘটে থাকে। তাই এই ধরনের ঘটনাগুলোকে ভুল বলে এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। সেজন্য লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ করা উচিত। পঞ্চায়েত অফিসগুলোতে সেই তালিকা প্রকাশ করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে। 

তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, হেয়ারিং বা শুনানিতে রাজনৈতিক দলগুলির বিএলএদের বাদ দেওয়ার চেষ্টা করার জন্য নিয়মে পরিবর্তন করেছে নির্বাচন কমিশন। তার প্রেক্ষিতে আদালতে কমিশন পাল্টা দাবি করে, যেখানে কেবলমাত্র নামের বানানে ত্রুটি রয়েছে সেখানে নাম বাদ দেওয়া হয়নি। যেখানে বয়সের পার্থক্য অস্বাভাবিক, সেখানে কেবল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একবারও বলা হয়নি, সেই সব নাম ভোটার তালিকা থেকে অপসারিত করা হবে। 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement