Advertisement

West Bengal Assembly Election 2026: 'রফিকুরের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক,' গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব উড়িয়ে মন্তব্য TMC-র প্রার্থী কাসেমের

প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই ক্ষোভ দেখাতে শুরু করে দিয়েছে দলের একাংশ। তবুও আমডাঙ্গার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কাসেম সিদ্দিকী জেতার ব্যাপারে আশাবাদী। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উড়িয়েই দিচ্ছেন তিনি। বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরা বুধবারও নীলগঞ্জ রোড অবরোধ করে, টায়ার জ্বালিয়ে চলে বিক্ষোভ। অঞ্চল সভাপতি থেকে শুরু করে অনেক পদাধিকারীর দাবি, রফিকুর রহমানকে ফের প্রার্থী না করলে পদত্যাগ করবেন।

তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে কাসেমতৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে কাসেম
Aajtak Bangla
  • দত্তপুকুর,
  • 19 Mar 2026,
  • अपडेटेड 11:48 AM IST

প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই ক্ষোভ দেখাতে শুরু করে দিয়েছে দলের একাংশ। তবুও আমডাঙ্গার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কাসেম সিদ্দিকী জেতার ব্যাপারে আশাবাদী। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উড়িয়েই দিচ্ছেন তিনি। বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরা বুধবারও নীলগঞ্জ রোড অবরোধ করে, টায়ার জ্বালিয়ে চলে বিক্ষোভ। অঞ্চল সভাপতি থেকে শুরু করে অনেক পদাধিকারীর দাবি, রফিকুর রহমানকে ফের প্রার্থী না করলে পদত্যাগ করবেন। 

অভিযোগের কথা অস্বীকার করেননি কাসেম। বুধবার রাতেই চলে আসেন নরসিংহপুর পার্টি অফিসে। সেখানে কর্মীদের একাংশের সঙ্গে ইফতার সেরে প্রচার শুরু করে দেন। রফিকুর রহমানের সঙ্গে পারিবারিক সক্ষতার কথা তুলে ধরে একসঙ্গে কাজ করার বার্তা কাসেম সিদ্দিকীর। এই আসনে তৃণমূল প্রতিবারই তাদের আগেরবারের লিড ছাপিয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে উত্তেজনাহীন আসন হলেও, এই গোষ্ঠীদ্বন্দ কিছুটা হলেও চিন্তায় রেখেছে নেতৃত্বকে। 

কাসেম প্রচারের ফাঁকে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, 'আমার সঙ্গে রফিকুর বাবুর দাদা-ভাইয়ের সম্পর্ক। সব ঠিক হয়ে যাবে। একবার ওনার বাড়িতে গিয়ে ইফতার করব। তারপরেই দেখবেন একসঙ্গে প্রচারে নেমে পড়ব। উনিও তো মাঝেমধ্যেই আমাদের বাড়িতে যান। আমিও কয়েকবার এসেছি। ভেদাভেদ কিছুই নেই।'

এই কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোট বেশি থাকলেও, হিন্দুদের সংখ্যাও বেশ বেশি। সেই ফয়দা তোলার চেষ্টায় যে বিজেপি থাকবে, টা ভালভাবেই জানেন কাসেম। তাই প্রচারের ফাঁকে দিলেন সম্প্রীতির বার্তা। বলেন, 'আমি ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা। ফুরফুরা শরীফ শুধু মুসলমানদের জন্য নয়। সবার জন্য দরজা খোলা। এখানে কোনও ভেদাভেদ নেই। দেখুন আমার সঙ্গে যারা আছেন। এসেছেন আমার সঙ্গে দেখা করতে, সকল ধর্মের মানুষ আছেন। আমি সবাইকে নিয়েই চলতে ভালবাসি।'

বাম আমলেও এই আমডাঙ্গা থেকে দারুণ লড়াই করতে দেখা গিয়েছে কংগ্রেস ও পরে তৃণমূল কংগ্রেসকে। দীর্ঘদিন বামেদের দখলে এই আসন থাকলেও, প্রাক্তন স্পিকার হাসিমুখে আব্দুল হালিম অথবা পরবর্তীকালে প্রাক্তন মাদ্রাসা শিক্ষামন্ত্রী আব্দুস সাত্তারের জেতার মার্জিনই বলে দেয়। এখানে বাম বিরোধীরা শক্তিশালী। তৃণমূলের অধুনা ঘাঁটি কি এবার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে হাতছাড়া হবে? নাকি কাসেমের দাবিই সত্যি করে ফের ব্যবধান বাড়িয়ে জয় পাবে বর্তমান শাসক দল? এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement