
নন্দীগ্রামে জিতলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শুরু থেকে এই আসনে এগিয়ে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দিনভর চলছিল কাটায় কাটায় টক্কর। কিন্তু দেখা গেল শেষে গণনার দিকে ব্যবধান কমাতে থাকে তৃণমূল। শেষ রাউন্ডের গণনায় জিতে যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তৃতীয়বার বাংলার ক্ষমতা দখল করা কার্যত সময়ের অপেক্ষা তৃণমূলের কাছে। এখনও পর্যন্ত যা ট্রেন্ড তাতে গতবারের মতোই বিপুল ভোটে জিততে চলেছে তৃণমূল। এখনও পর্যন্ত ২১০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। তারা বিজেপি সেখানে ৮০টি আসনে। এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে ভাঙড়ে আইএসএফ প্রার্থী নওসাদ সিদ্দিকী ২৬,৩৭৬টি ভোটে জিতেছেন। এবারই বাংলার ভোটে নেমেছে আইএসএফ। প্রথমবার ভোটে নেমেই বড় সাফল্য পেল আব্বাস সিদ্দিকীর দল। অন্যদিকে, বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের যা ট্রেন্ড তাতে দেখা যাচ্ছে এই প্রথম বাংলার বিধানসভায় বিরোধী দল হিসাবে উঠে আসছে বিজেপি। এখনও পর্যন্ত ট্রেন্ড অনুযায়ী ৮৫ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি।
পিছিয়ে বিজেপি
তবে পিছিয়ে রয়েছে বিজেপির একের পর এক তারকা প্রার্থীরা। জানা যাচ্ছে, লকেট থেকে শুরু করে বাবুল। বিজেপির হেভিওয়েট প্রার্থীরা পিছিয়ে রয়েছেন বিভিন্ন কেন্দ্রে। বিজেপি এবার যা আশা ছিল তেমন তো পৌঁছাতেই পারেনি। উল্টে লোকসভা নির্বাচনের থেকেও অনেক জেতা আসনে পিছিয়ে রয়েছে তারা।
একনজরে বাংলা বিধানসভা
বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে এবার ২৯২টি আসনে আজ ফলপ্রকাশ। ২টি আসনে করোনার জেরে প্রার্থী মৃত্যুর পরে ওই আসনে পরে নির্বাচন হবে। এবারের নির্বাচনে রাজ্যে ২৯৩টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। বাগমুণ্ডি আসনটি তারা ছেড়েছে জোটসঙ্গীদের উদ্দেশ্যে। অন্যদিকে, ২৯১টি আসনের প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। পাহাড়ের তিনটি আসন ছেড়েছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। কিন্তু সেখানে মোর্চা শিবির কার্যত দুই ভাগ। বিমল গুরুং ও বিনয় তামাং শিবির দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছে। অন্যদিকে, পাহাড়ে জিএনএলএফ সমর্থন দিয়েছে বিজেপিকে। এবারের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৈরি হয়েছে সংযুক্ত মোর্চা। বামদল গুলি, কংগ্রেস ও আব্বাস সিদ্দিকীর আইএসএফ মিলে নতুন জোট তৈরি করেছে। প্রত্যেক দলই প্রার্থী দিয়েছে। কিন্তু মুর্শিদাবাদে বেশ কিছু আসনে জোট হয়নি। সেখানে শরিক দলগুলি একের অপরের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছে। প্রথমবার রাজনীতির ময়দানে নেমে আব্বাস সিদ্দিকী আদৌ কেমন সাফল্য পায়, সেই দিকেও ছিল নজর।