Advertisement

Mohammed Salim Humayun Kabir: সেলিমের সঙ্গে মিটিং সেরেই জোটের 'ডেডলাইন' দিলেন হুমায়ুন, CPIM-এ কী চলছে?

পশ্চিমঙ্গের রাজনীতিতে আবার নতুন সম্ভাবনা। আসন্ন ২০২৬ বিধানসভা ভোটে জোট নিয়ে বৈঠক করলেন পশ্চিমবঙ্গ সিপিআইএম-এর সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ সেলিম এবং জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। 

মহম্মদ সেলিম ও হুমায়ুন কবীরমহম্মদ সেলিম ও হুমায়ুন কবীর
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Jan 2026,
  • अपडेटेड 9:40 AM IST
  • পশ্চিমঙ্গের রাজনীতিতে আবার নতুন সম্ভাবনা
  • ২০২৬ বিধানসভা ভোটে জোট নিয়ে বৈঠক করলেন পশ্চিমবঙ্গ সিপিআইএম-এর সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ সেলিম এবং জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর
  • মহম্মদ সেলিম এবং হুমায়ুন কবীরের মধ্যে বিধানসভা ভোটে জোট এবং আসন সমঝোতা নিয়ে কথা হয়েছে

পশ্চিমঙ্গের রাজনীতিতে আবার নতুন সম্ভাবনা। আসন্ন ২০২৬ বিধানসভা ভোটে জোট নিয়ে বৈঠক করলেন পশ্চিমবঙ্গ সিপিআইএম-এর সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ সেলিম এবং জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। 

পিটিআই সূত্রে খবর, মহম্মদ সেলিম এবং হুমায়ুন কবীরের মধ্যে বিধানসভা ভোটে জোট এবং আসন সমঝোতা নিয়ে কথা হয়েছে। আর বৈঠকে মহম্মদ সেলিম হুমায়ুনকে জানিয়েছেন যে এই বিষয়ে দলে আগে কথা হবে। তারপরই জোট বা আসন সমঝোতা নিয়ে এগনো যাবে। 

কোথায় হয় বৈঠক? 
রাজারহাট নিউটাউনের একটি হোটেলে এই বৈঠক হয়। রাজ্য রাজনীতির এই দুই নেতার মধ্যে অনেকক্ষণ ধরে আলোচনা চলে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। এই বৈঠকের পর সেলিম জানান, হুমায়ুনের রাজনৈতিক অভিপ্রায় জানতেই এই আলোচনা। পাশাপাশি জোট নিয়ে এখনও কোনও কথা হয়নি, সেটাও স্পষ্ট করে দেন সেলিম। তিনি বলেন, 'আমি জানতে চেয়েছি উনি কী করতে চান, তাঁর উদ্দেশ্য কী।'

ও দিকে হুমায়ুন কবীরও এই বৈঠক নিয়ে মুখ খোলেন। তিনি বলেন, 'আমি সেলিম সাহেবকে বলেছি যেন ১৫ তারিখের মধ্যে জোট প্রক্রিয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করা যায়।' পাশাপাশি তিনি সেলিমকে আইএসএফ-এর সঙ্গেও জোট নিয়ে কথা বলতে বলেছেন। 

উঠছে প্রশ্ন...
আর এই বৈঠকের পরই বাংলার রাজনীতিতে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই জোট সিপিআইএম-এর কর্মী সমর্থকরা আদৌ মেনে নেবে তো? কারণ, নওসাদ সিদ্দিকির আইএসএফ-এর সঙ্গে জোটের পরও দলের মধ্যে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। কীভাবে একটি বামপন্থী দল আইএসএফ-এর সঙ্গে জোটে যেতে পারে, তা নিয়ে তোপের মুখে পড়েছিল নেতৃত্ব। যদিও সেই যাত্রায় আইএসএফ-এর 'সেক্যুলার' নীতিকে সামনে রেখে কিছুটা মুখ রক্ষা করা গিয়েছিল। 

কিন্তু সেই এক তত্ত্ব কোনওভাবেই খাটবে না হুমায়ুনের ক্ষেত্রে। কারণ, হুমায়ুন বাবরি মসজিদ বানাচ্ছেন। তিনি নিজেকে মুসলিমদের রক্ষাকর্তা হিসেবেই প্রাথমিকভাবে তুলে ধরছেন। আর সেই কারণেই 'ধর্মনিরপেক্ষ' সিপিআইএম-এর পক্ষে হুমায়ুনের হাত ধরা কঠিন। আর যদিও বা জোট সঙ্গী হিসেবে দলের উচ্চ নেতৃত্ব হুমায়ুনকে বেছে নেন, তাহলে অভ্যন্তরীণ সংকটেও ভুগতে পারে সিপিআইএম। প্রকাশ্যে আসতে পারে দলের মত বিরোধ। তাই হুমায়ুনকে নিয়ে আপাতভাবে সাবধানী মহম্মদ সেলিম। তিনি পার্টির সব স্তরের সঙ্গে আলোচনা করেই এই দিকে এগবেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

Advertisement

তৃণমূল কী বলছে? 
এই বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষও। তিনি বলেন, 'রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে সিপিআইএম।' তাই ভোটের আগে ভিক্ষের পাত্র হাতে জোট ভিক্ষা করছেন সেমিলরা বলে কটাক্ষ করেন তিনি।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement