Advertisement

Narendra Modi Kolkata Brigade Rally: 'SIR করতে বাধা দিয়েছে', তৃণমূলকে নিশানা মোদীর

ভোটের আবহে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রায় পাঁচ বছর পর আবারও ব্রিগেডের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি একদিকে বাংলার জন্য একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন, অন্যদিকে রাজনৈতিক সভা থেকে রাজ্যের শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেন।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 14 Mar 2026,
  • अपडेटेड 5:09 PM IST
  • ভোটের আবহে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
  • প্রায় পাঁচ বছর পর আবারও ব্রিগেডের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি একদিকে বাংলার জন্য একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন, অন্যদিকে রাজনৈতিক সভা থেকে রাজ্যের শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেন।

ভোটের আবহে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রায় পাঁচ বছর পর আবারও ব্রিগেডের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি একদিকে বাংলার জন্য একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন, অন্যদিকে রাজনৈতিক সভা থেকে রাজ্যের শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেন।

সভামঞ্চে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া দিতে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে সাজানো হয়েছিল মঞ্চ। সেখান থেকেই প্রধানমন্ত্রী বাংলার জন্য মোট ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন বলে জানানো হয়েছে।

মোদী বলেন, 'তৃণমূল সরকার বাংলা অরাজকতা সৃষ্টি করেছে। প্রতিদিন হামলা হচ্ছে। গত কয়েকমাসে যখনই নির্বাচন কমিশন ভোটের জন্য পদক্ষেপ করেছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের পদক্ষেপ নিয়েছে তৃমণূল বাধা দেয়। দেশের সেনাকে নিয়েও এমন ব্যবহার। ২০১৯ সালে ভারতীয় সেনা বালাকোটে আক্রমণ চালায়, তৃণমূল প্রমাণ চেয়েছিল। এখানে পুলিশকে কাজ করতে দেয় না। সরকার যদি এমন হয় তবে ন্যায়ের জন্য মানুষ কোথায় যাবে। এই অরাজকতা দিল্লিতে পৌঁছনোর চেষ্টা করেছে। সংসদের কাজে বাধা দেয়। দেশ টিএমসির সর্বনাশা পদক্ষেপ দেখে অবাক।'

বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কিছু রাজনৈতিক শক্তি দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির উপর লাগাতার আক্রমণ চালাচ্ছে। যে সংস্থাগুলি স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করে, তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।' একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, 'দেশের সেনাবাহিনী নিয়েও অতীতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে এবং বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের সময়ও বায়ুসেনার কাছে প্রমাণ চাওয়া হয়েছিল।'

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'রাষ্ট্রপতির মতো দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদকেও অপমান করা হয়েছে। তাঁর কথায়, এর মাধ্যমে আদিবাসী সমাজ, দেশের কোটি কোটি মহিলা এবং সংবিধানের মর্যাদাকেও খাটো করা হয়েছে। সংবিধানের প্রতি অসম্মান দেখানো মানেই অম্বেডকরের ভাবনাকেও অসম্মান করা।'

বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কড়া মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং 'গুন্ডারাজ' বন্ধ হবে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে অনুপ্রবেশের কারণে জনসংখ্যার ভারসাম্য বদলে যাচ্ছে এবং ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য এই সমস্যা আরও বাড়ছে।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলার 'রুটি, বেটি ও মাটি' আজ বিপদের মুখে। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়ার ফলে বাংলার জমি ও জনবিন্যাসে বড় পরিবর্তন ঘটছে এবং বাঙালি হিন্দুদের সংখ্যালঘু করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement