Advertisement

চার্টার্ড বিমান অতীত, এবার পুরনো চালেই ভরসা? বঙ্গ বিজেপির রণনীতি বুঝুন

২০২১ সব্যসাচী দত্ত, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, বৈশাখী ডালমিয়া থেকে হাওড়ার রথীন চক্রবর্তীকে  ‘চার্টার্ড বিমানে’ দিল্লি উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে শাহের দরবারে হাজির করেছিলেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব।  বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন টলিউডের নায়িকা- শ্রাবন্তী বন্দ্যোপাধ্যায়,পার্নো মিত্র এবং তনুশ্রী চক্রবর্তী। তৃণমূল ছেড়ে পদ্মশিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন সব্যসাচী দত্তের মতো হেভিওয়েট নেতাও। এবার বিজেপির সাংগঠনিক সিদ্ধান্তগুলি বুঝিয়ে দিচ্ছে, ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছে দল। 

২০২৬ সালের আগে আদি মুখে ভরসা বিজেপির?২০২৬ সালের আগে আদি মুখে ভরসা বিজেপির?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 04 Mar 2026,
  • अपडेटेड 12:17 AM IST
  • ২০২৬ সালের আগে আদি মুখেই ভরসা রাখছে বিজেপি?
  • শমীক-দিলীপের পর গুরুত্ব রাহুল সিনহাকেও।

সাল ২০২১। বঙ্গ বিজেপিতে তখন 'যোগদান মেলা'। চার্টার্ড বিমানে দিল্লি গিয়ে যোগদান করছেন তৃণমূলের নেতা-বিধায়করা। কে না নেই? মনে হচ্ছিল, নবান্নের তখন দখল স্রেফ সময়ের অপেক্ষা! কাট টু ২০২৬। ৫ বছর পর আবার বিধানসভার ভোট সমাসন্ন। এবার যেন পুরনোরাই যেন গুরুত্ব পাচ্ছেন। শমীক ভট্টাচার্য আগেই রাজ্য সভাপতি হয়েছেন। এবার রাহুল সিনহা হলেন রাজ্যসভার প্রার্থী। 

রাহুল-শমীকের সঙ্গে আরও এক চরিত্র ফিরেছেন। তিনি দিলীপ ঘোষ। রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি। সস্ত্রীক হাজির হয়েছিলেন মমতার জগন্নাথ মন্দিরে। তৃণমূলের যোগদানের জল্পনাও তুঙ্গে উঠেছিল। তারপর থেকে দলের সভা-সমাবেশে থেকেছেন 'ব্রাত্য'। গত বছরের ডিসেম্বরের শেষলগ্নে খেলা ঘুরে গেল! রাজ্য সফরে এলেন অমিত শাহ। দিলীপের সঙ্গে বৈঠক। তারপর আবার স্বমহিমায় দিলীপ। সেই প্রাতর্ভ্রমণে সাংবাদিকদের বুমের সারি। জেলায় জেলায় বিজেপির সভামঞ্চে আগুনে ভাষণ। ঘটনাক্রমই বলে দিচ্ছে, বিজেপিতে গুরুত্ব বাড়ছে আদি নেতাদের।  

২০২১ সব্যসাচী দত্ত, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, বৈশাখী ডালমিয়া থেকে হাওড়ার রথীন চক্রবর্তীকে  ‘চার্টার্ড বিমানে’ দিল্লি উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে শাহের দরবারে হাজির করেছিলেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব।  বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন টলিউডের নায়িকা- শ্রাবন্তী বন্দ্যোপাধ্যায়,পার্নো মিত্র এবং তনুশ্রী চক্রবর্তী। তৃণমূল ছেড়ে পদ্মশিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন সব্যসাচী দত্তের মতো হেভিওয়েট নেতাও। এবার বিজেপির সাংগঠনিক সিদ্ধান্তগুলি বুঝিয়ে দিচ্ছে, ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছে দল। 
 
বিজেপি সূত্রের খবর, গতবার তাড়াহুড়ো করে দল বাড়াতে গিয়ে মুখ পুড়েছিল। বেশিরভাগই ভোটের পর পুরনো দল তৃণমূলে ফিরে গিয়েছেন। সবস্যচী দত্ত, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়রা এখন তৃণমূলের সৈনিক। সেই পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন নায়িকারাও। শ্রাবন্তী আগেই গিয়েছিলেন। সদ্য পার্নোও তৃণমূলে নাম লিখিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবে এবার অন্য রণনীতি। পরিযায়ী ও নতুনদের চেয়ে পুরনো চালেই ভরসা রাখছে দল। রাহুল সিনহা, শমীক ভট্টাচার্যের মতো আদি নেতাদের আনা হচ্ছে সামনে। শমীক আগেই রাজ্যসভায় গিয়েছিলেন। এখন রাজ্য সভাপতিও। যা অনেকেই প্রত্যাশা করেননি। এবার রাহুল সিনহাকেও করা হল রাজ্যসভার প্রার্থী। ২০২১ সালে এই দু'জন ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিলেন। পাঁচ বছর পর তাঁরাই এখন সামনের সারিতে।      

Advertisement

শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে দল থেকে সাসপেন্ড হয়েছিলেন। সেই রীতেশ তিওয়ারি দলে ফিরেছেন গতবছর নভেম্বরে। তাঁর কথায়,'রাহুল সিনহার মনোনয়ন  দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে আসা বুথে থেকে রাজ্যস্তরের বিজেপি কর্মীদের নতুন উদ্দীপনা ও আত্মবিশ্বাস দেবে। ২০২৬ সালের আগে কেন্দ্রীয় বিজেপির সিদ্ধান্ত আরও শক্তিশালী করবে সংগঠনকে। আবারও প্রমাণ করল, বিজেপি প্রকৃতঅর্থেই কর্মীবান্ধব দল'।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement