Advertisement

West Bengal Election Dates: বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ মোটামুটি ঠিক করে ফেলেছে কমিশন, কত দফায় ভোট?

ভোট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা জল্পনা চলছিল। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া এবং প্রায় ৬০ লক্ষ আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়ায় অনেকেই মনে করেছিলেন, বাংলায় ভোট ঘোষণায় দেরি হতে পারে। এমনকি রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা ছিল, পরিস্থিতি জটিল হলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করেও পরে ভোট ঘোষণা করা হতে পারে।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 12 Mar 2026,
  • अपडेटेड 12:12 PM IST
  • ভোট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা জল্পনা চলছিল।
  • বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া এবং প্রায় ৬০ লক্ষ আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়ায় অনেকেই মনে করেছিলেন, বাংলায় ভোট ঘোষণায় দেরি হতে পারে।

ভোট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা জল্পনা চলছিল। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া এবং প্রায় ৬০ লক্ষ আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়ায় অনেকেই মনে করেছিলেন, বাংলায় ভোট ঘোষণায় দেরি হতে পারে। এমনকি রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা ছিল, পরিস্থিতি জটিল হলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করেও পরে ভোট ঘোষণা করা হতে পারে।

তবে সেই সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটতে চলেছে বলেই ইঙ্গিত মিলছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরলম, অসম এবং পণ্ডিচেরিতেও একই সময়ে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৬ মার্চ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের সূচি ঘোষণা করতে পারেন।

এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোট কত দফায় হবে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। অতীতে রাজ্যে নির্বাচনী হিংসার অভিযোগের জেরে বহু দফায় ভোট নেওয়ার নজির রয়েছে। এক সময় পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফায় ভোটও হয়েছে। তবে এখন কমিশনের অভ্যন্তরে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যে এত বেশি দফায় ভোটের প্রয়োজনীয়তা নেই। ফলে এবারে ভোটের দফা কমে যেতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে।

নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনের বিধানসভা নির্বাচন সম্ভবত ২ দফায় হতে পারে। দিল্লিতে কমিশনের দফতরে আরও এক দফা বৈঠকের পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সূত্রের খবর, কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বৈঠকের পরই এই ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়েছে। ওই বৈঠকে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া রাজ্যের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল এক বা দুই দফায় ভোটের পক্ষে মত দিয়েছে বলে জানা গেছে। প্রশাসন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কর্তারাও একই  পরামর্শ দিয়েছেন।

কমিশনের এক অফিসার জানান, দুই দফায় নির্বাচন হলে হিংসা কিছুটা কম হতে পারে। কারণ, এতে দুষ্কৃতীরা এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় গিয়ে অশান্তি তৈরির সুযোগ কম পাবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

Advertisement

ভোটের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, ১৬ মার্চ ভোট ঘোষণা হলে প্রথম দফার ভোটের আগে অন্তত ২৮ থেকে ৩০ দিন সময় দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি বা তৃতীয় সপ্তাহে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হতে পারে। এরপর অল্প ব্যবধানেই দ্বিতীয় দফার ভোট এবং ফল ঘোষণা হতে পারে।

এদিকে এসআইআর প্রক্রিয়ায় জমা পড়া প্রায় ৬০ লক্ষ আবেদনের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সম্প্রতি ১০ মার্চ এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, নির্বাচন ঘোষণা করার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। আদালতে জানানো হয়েছে, মোট আবেদনের মধ্যে প্রায় ১০ লক্ষ আবেদন ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৩ লক্ষ ৪ হাজার আবেদন খারিজ হয়েছে।

সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা কীভাবে প্রকাশ করা হবে, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ওপর ছেড়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই অনুযায়ী এ বিষয়ে আলোচনা করতে নির্বাচন দপ্তরের আধিকারিকরা প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন।

তবে বাকি আবেদনের নিষ্পত্তি কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গোটা বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টও নজর রাখছে। ফলে আদালতের নির্দেশ এবং নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপরই এখন নির্ভর করছে বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের সম্পূর্ণ রূপরেখা।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement