Advertisement

TMC বটগাছ, দু-একজন ছাড়তেই পারেন, শুভেন্দুকে খোঁচা মমতার

তৃণমূল একটি বটগাছ। দু'একজন ছেড়ে চলে যেতে পারে। বুধবার কোচবিহারে দলের বিদ্রোহী নেতা (Rebel Leader)-দের এই বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (WB CM Mamata Banerjee)।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ইন্দ্রজিৎ কুণ্ডু
  • কোচবিহার,
  • 16 Dec 2020,
  • अपडेटेड 7:21 PM IST
  • তৃণমূল একটি বটগাছ
  • দু'একজন ছেড়ে চলে যেতে পারে
  • দলত্যাগীদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

তৃণমূল একটি বটগাছ। দু'একজন ছেড়ে চলে যেতে পারে। বুধবার কোচবিহারে দলের বিদ্রোহী নেতা (Rebel Leader)-দের এই বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (WB CM Mamata Banerjee)।

তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন দল থেকে কেউ চলে গেলে তিনি তা গুরুত্ব দিতে নারাজ। বিষয়টি নিয়ে তিনি মোটেই চিন্তিত নন। এদিন কোচবিহারে তিনি বলেন তৃনমুল আজ একটা বট গাছে পরিণত হয়েছে তাই এক দুজন চলে যেতে পারে। যারা মনে করছেন টিকিট পাবেন না তারা চলে যেতে পারেন না।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আরও বলেন, যারা দলের কাজ করবেন, তারা টিকিট পাবেন এটা দলের সিদ্ধান্ত। অনেকে আশঙ্কায় রয়েছেন। তাঁরা চলে যেতে পারেন। বিজেপি ইতিমধ্যে আমাদের হুমকি দিয়েছে যে জেলে পাঠাবে। আর এ কারণে অনেকের মনে আশঙ্কা রয়েছে। তারা যদি আমাকে জেলে পাঠায় আমার গর্ব হবে। করাণ আমি কখনই বিজেপির কাছে ঝুঁকিনি, তার জন্য গর্বিত হব। 

বিজেপি তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি এবং সাংসদ সুব্রত বক্সিকে বিজেপি ফোন করেছে বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন তিনি বলেন, কী নির্লজ্জ! তারা আমার দলের রাজ্য সভাপতিকে ফোন করেছিল। তাদের সাহস কত! তারা কী ভয়ানক! তাদের কোনও সৌজন্যবোধ নেই। তারা অনুব্রত মণ্ডলকেও ফোন করেছিল। অনুব্রত আমাকে সে ব্যাপারে জানিয়েছে। অনুব্রত বলেছে দিল্লি থেকে কোনও নেতা ফোন করেছে। 

মুখ্যমন্ত্রী এই বার্তা এমন দিনে দিয়েছেন, যেদিন রাজ্য়ের প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। আর তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি দলের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে কথা বলেছেন।

বুধবার বিকেলে বিধানসভায় গিয়ে ইস্তফাপত্র জমা দিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। বুধবার বিকেলেই বিধানসভায় গিয়ে রিসিভ সেকশনে স্তফাপত্র জমা দেন শুভেন্দু। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন না বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই সচিবের কাছে গিয়েই ইস্তফাপত্র জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। যদিও বিধানসভায় অধ্যক্ষের কাছে ইস্তফাপত্র জমা না দেওয়ায় তা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। 

Advertisement

এদিন শুভেন্দু যখন বিধানসভায় যান তখন সেখান থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই রিসিভ সেকশনে  ইস্তফাপত্র জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণে শুভেন্দুর ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার পর তা গ্রহণ করা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। তবে এদিন ই-মেলেও অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফাপত্র পাঠান শুভেন্দু। 

এ দিন দুর্গাপুরে এক সভায় জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেছেন, আমরা মানুষের কাছে দায়বদ্ধ। আমরা নিজেদের অধিকারের কথা বললে চলে যেতে বলা হচ্ছে!

Read more!
Advertisement
Advertisement