
বর্ণপরিচয়ের স্রষ্টা বাংলার অন্যতম বীর সন্তান মাতঙ্গিনী হাজরা। এমন কথা বলছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি ট্যুইট করা ভিডিওতে সেটাই দেখা যাচ্ছে। ভিডিওর সত্যতা আজ তক বাংলা যাচাই করেনি। তবে ভিডিও সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিজেপি ট্যুইটে লিখেছে, বর্ণপরিচয়ের শ্রষ্টা কে, এটা ভাইপো জানে না! এরা বাঙালি জাতির কলঙ্ক। প্রসঙ্গত, এর আগে এমন বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছিলেন, সহজপাঠ লিখেছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
শাহকে নিশানা অভিষেকের
গতকাল সভা থেকে অভিষেক বলেন,যারা রোদ পড়লে সভায় আসেন তাদের বক্তব্য শুনতে কেউ আসে না। সেই সঙ্গে অভিষেক আরও বলেন, "ঝাড়গ্রামে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জনসভা ছিল, কিন্তু আমি যা দেখতে পাচ্ছি তাতে কেবল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারাই এসেছেন। যা ভিড় হয়েছে তার চেয়ে গ্রামের চায়ের দোকানে লোক বেশি থাকে।" পাশাপাশি তিনি বলেন, তৃণমূলের সভায় জনতার স্বতস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করছে ক্ষমতায় ফের একবার ঘাসফুল শিবিরই আসছে।
তবে ঝাড়গ্রামে শাহের সভা না হওয়া নিয়ে ইতিমধ্যে নানা গুঞ্জন শোনা যেতে শুরু করেছে। বেলা বাড়লেও এদিন নাকি যথেষ্ট সংখ্যক সমর্থক সভাস্থলে এসে জড়ো হননি। পাশাপাশি অভিযোগ ওঠে, সভাস্থলে ঢোকার মুখে সুরক্ষা ব্যবস্থা সঠিক রাখার নামে বাধা দেওয়া হয়েছে অনেককে। জলের বোতল নিয়েও ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না। সভাস্থল থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে গাড়ি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অতটা রাস্তা হেঁটে আসতে সমস্যায় পড়ছেন অনেকে।
দেখুন সেই ভিডিও
শোনা গিয়েছিল হেলিকপ্টারে যান্ত্রিক ত্রুটি ঠিক না হলে বাঁকুড়ার রানিবাঁধের সভাতেও ভারচুয়ালি ভাষণ দিতেন শাহ। কিন্তু শেষপর্যন্ত নির্দিষ্ট সময়ের অনেক দেরিতেই রানিবাঁধে পৌঁছন তিনি। সেখানে গিয়ে নন্দীগ্রামে মমতার চোট পাওয়া নিয়ে মুখ খোলেন বিজেপি নেতা। শাহ বলেন, ‘তৃণমূল বলছে ষড়যন্ত্র করে আঘাত করা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নির্বাচন কমিশন কিন্তু এরকম কথা বলছে না। তাহলে কে সত্যি কথা বলছে ?' জঙ্গলমহলে প্রচারে নেমে রাজ্যে আদবাসী উন্নয়নকেই এবার প্রচারে তুরুপের তাস করতে চেয়েছেন অমিত শাহ।