JOKES: হাসি এবং মস্করার মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখা হয়। একজন মানুষ যখন স্ট্রেস থেকে দূরে থাকে, তখন মানসিক রোগও কাছে আসে না। হাসি এবং আনন্দে থাকাকে তাই সুস্বাস্থ্যের রহস্য বলে মনে করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরাও ব্যায়াম হিসেবে হাসতে পরামর্শ দেন। জোকস এবং কৌতুক আপনাকে হাসাতে সহায়ক।
> স্বামী স্ত্রীকে মেসেজ করল- আজ রাতে আমার সাথে কিছু বন্ধু আসছে, ভালো খাবার রান্না কর।
স্ত্রীর কাছ থেকে কোন উত্তর আসেনি।
তখন স্বামী আরেকটা মেসেজ পাঠালো- আমার বেতন বেড়েছে, সামনের মাসে তোমাকে সোনার আংটি এনে দেব।
বউ উত্তর দিল- সত্যি.....
স্বামী- না, আমার প্রথম মেসেজ পেয়েছি কি না তা পরীক্ষা করছিলাম, না হলে তুমি বলতে মেসেজ পাওনি।
> মোটু- কী হয়েছে ভাই, মন খারাপ করে বসে আছ কেন?
পাতলু- ভাই, কী বলবো, তোমার বৌদি নাক কেটে দিয়েছে।
মোটু- এটা কেমন কথা?
পাতলু- আমরা দুজনে টয়লেট মুভি দেখতে গিয়েছিলাম, ট্রাফিকের কারণে একটু দেরি হয়ে গেছে।
মোটু- এতে নাক কাটার কী হল?
পাতলু- তোর বৌদি সারা পাড়ায় বলছে যে আমি আর আমার স্বামী টয়লেটে গিয়েছিলাম, দেরি হওয়ায় একটু বেরিয়ে গেছে।
এখন আমি কাকে কাকে বোঝাব?
> চিন্টু-পিন্টুকে বলল...
মদের দোকানের বাস্তু কে বানায় বোঝা যায় না।
ড্রেনের উপর হোক, বা দক্ষিণ দিকে হোক,
সামনে গর্ত হোক, বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার হোক বা কোনও বাস্তু দোষ থাকুক,
দোকানে সব সময় ভিড় লেগেই থাকে।
> মাঝরাতে গোলু মদ খেয়ে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল, এক পুলিশ থামিয়ে জিজ্ঞেস করল কোথায় যাচ্ছ?
গোলু- মদ্যপানের ক্ষতি সম্পর্কে বক্তৃতা শুনতে।
পুলিশ- তোমার বাবা কি এত রাতে বক্তৃতা দেবেন?
গোলু- না স্যার, বউ দেবে।
(Disclaimer: এই বিভাগের জন্য জোকস হোয়াটসঅ্যাপ এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা জনপ্রিয় বিষয়বস্তু থেকে নেওয়া হয়েছে। এদের উদ্দেশ্য কেবলমাত্র লোকেদের একটু আনন্দ দেওয়া… আমাদের উদ্দেশ্য নয় কাউকে উপহাস করা, অবজ্ঞা করা।)