Advertisement

Mamata Banerjee at Book Fair 2026: ১০ কোটি খরচে 'বইতীর্থ', বইমেলায় ৯ বইপ্রকাশ করে ঘোষণা মমতার

মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে উদ্বোধন হয়ে গেল ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার। ৪৯বার ঘণ্টা বাজিয়ে উদ্বোধন হল বইমেলার। প্রতি বইমেলাতেই নিজের লেখা বই প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। এবারও সেই নিয়মের অন্যথা হল না। এবারের বই মেলায় ৯টি বই প্রকাশ হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এদিন মেলার উদ্বোধন মঞ্চ থেকে বইতীর্থ তৈরির জন্য ১০ কোটি টাকারও অনুমোদন করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

বইমেলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৯টি বই প্রকাশিত হলবইমেলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৯টি বই প্রকাশিত হল
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 22 Jan 2026,
  • अपडेटेड 5:42 PM IST

মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে উদ্বোধন হয়ে গেল ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার। ৪৯বার ঘণ্টা বাজিয়ে উদ্বোধন  হল বইমেলার। প্রতি বইমেলাতেই নিজের লেখা বই প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। এবারও সেই নিয়মের অন্যথা হল না। এবারের বই মেলায় ৯টি বই প্রকাশ হচ্ছে  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এদিন মেলার উদ্বোধন মঞ্চ থেকে বইতীর্থ তৈরির জন্য ১০ কোটি টাকারও অনুমোদন করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

 আগামী বছর ৫০ তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার আসর বসতে চলেছে।  কলকাতা বইমেলার ৫০ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই বইতীর্থ হবে বলে এদিন ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এজন্য সরকার থেকে ১০ কোটি টাকা দেওয়া হবে। এজন্য গিল্ডকে অফিসিয়ালি আর্জি জানানোর কথা বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'পরের বছর বই প্রাঙ্গনের সঙ্গে বইতীর্থ দেখতে চাই।'

৪৯তম আন্তর্জাতিক বইমেলা অনুষ্ঠানে নিজের লেখা ৬টি বই এদিন প্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  এবার তাঁর লেখা আরও ৩টি বই প্রকাশ করা হবে। প্রকাশিত ৬টি বইয়ের নাম- SIR ছাব্বিশে ছাব্বিশ, আমার রেলবেলা, বাংলার প্রকৃতি মা, ইংরেজিতেও পাওয়া যাবে বইটি। এছাড়াও এদিন প্রকাশিত হয়েছে আমাদের পাড়া-আমাদের সমাধান, কথা ভাণ্ডার প্রথম পর্ব, এবং পূণ্যভূমির বাংলা। 

SIR-র নিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে বইমেলা থেকে নিজের সৃষ্টিশীল প্রতিবাদও তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানান, ২০২৬ সালেই তিনি এই বিষয়কে কেন্দ্র করে ২৬টি কবিতা লিখে ফেলেছেন। তিনি বলেন,'২৬ এ ২৬টা কবিতা লিখেছি—হেলিকপ্টারে যেতে যেতে দু’-তিনদিনে। ওটাই ‘স্যার’ হিসেবে বেরোবে।' পাশাপাশি ইঙ্গিত দেন, এবার তাঁর বইয়ের সংখ্যা আরও বাড়বে—' সংখ্যাটা হবে ১৬২।'

বইমেলার মঞ্চে দাঁড়িয়ে এজেন্সি-কমিশন, এসআইআর এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা—সব মিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে রাজনৈতিক বার্তার পাশাপাশি প্রতিবাদের সুরও স্পষ্ট ছিল।  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'বই মানুষের জ্ঞানের জগৎকে সমৃদ্ধ করে। এই মেলার মাধ্যমে নতুন লেখকরা পাঠকের সঙ্গে পরিচিত হন এবং পাঠকরা নতুন দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করেন। গিল্ড কর্তৃপক্ষের সুশৃঙ্খল আয়োজনের জন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।' তিনি আরও বলেন, 'বইমেলা শুধুমাত্র বই কেনার স্থান নয়, এটি সংস্কৃতি, জ্ঞান ও সাহিত্যকে উৎসাহিত করার এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।'

Advertisement

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চে থাকাকালীন বইমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। তিনি নতুন প্রকাশিত বই দেখেন, লেখক ও প্রকাশকের সঙ্গে আলাপ করেন এবং প্রকাশকদের উৎসাহ দেন। মেলার মূল লক্ষ্য যেমন পাঠক ও লেখকের সংযোগ তৈরি করা, তেমনি ছোট প্রকাশনাগুলোর সমর্থন দেওয়াও। মুখ্যমন্ত্রী এই বার্তা দিতে ভোলেননি যে, 'সকল লেখক, প্রকাশক ও পাঠকই এই মেলার প্রাণ। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া মেলা সম্ভব হতো না।'

Read more!
Advertisement
Advertisement