Advertisement

TMC-তে আর্মি, এয়ারফোর্স ও নেভি কারা? স্তর ভাগ করে দিলেন অভিষেক

নির্বাচনের আগে তৃণমূলের অবস্থান আরও শক্তপোক্ত করতে বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধাদের নিয়ে ডিজিটাল কনক্লেভ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূলের এয়ারফোর্স, আর্মি, নেভি কারা?তৃণমূলের এয়ারফোর্স, আর্মি, নেভি কারা?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 12 Jan 2026,
  • अपडेटेड 6:26 PM IST
  • ডিজিটাল যোদ্ধাদের নিয়ে ডিজিটাল কনক্লেভ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • 'ডিজিটাল যোদ্ধা'দের নিজেদের ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্বের কথা তুলে ধরেন অভিষেক।
  • তিনি এদিন আইপ্যাক-ইডি বিতর্ক নিয়েও মুখ খোলেন।

নির্বাচনের আগে তৃণমূলের অবস্থান আরও শক্তপোক্ত করতে বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধাদের নিয়ে ডিজিটাল কনক্লেভ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূলের পক্ষে সোশ্যাল মিডিয়া অভিযানের একাধিক দিক-নির্দেশ দেন অভিষেক।  

এই মঞ্চ থেকেই তৃণমূলের 'ডিজিটাল যোদ্ধা'দের নিজেদের ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্বের কথা তুলে ধরেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেতা জানান, "আগেকার দিনে যুদ্ধ হত ঘোড়ায় চড়ে, হাতিতে চড়ে। আজ যুদ্ধ হয় আর্মি, এয়ারফোর্স ও নেভির মাধ্যমে। ভারতের যেমন ইন্ডিয়ান আর্মি, ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স, ইন্ডিয়ান নেভি রয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষেত্রেও বিষয়টি এক। যে ব্যক্তিরা দেওয়াল লেখেন, বুথে বসেন, প্রচার করেন, সংগঠনের হয়ে কাজ করছেন তাঁরা দলের সম্পদ। তাঁরা দলের আর্মি। আর আপনারা যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করছেন, তাঁরা দলের এয়ারফোর্স। আর আমরা যারা সংসদে লড়ছেন, হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্টে লড়ছেন তাঁরা হল নেভি।" 

অভিষেকের দাবি, এই তিন বাহিনী যদি এক গতিতে এক ভাবে এগিয়ে চলে, তাহলে বিরোধীদের চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে সময় লাগবে না। তৃণমূল নেতা জানান, যে ক্রিয়েটাররা ভালো কাজ করছে, তাঁদের অবশ্যই স্বীকৃতি দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে দেবাংশুর উদাহরণও টানেন অভিষেক।

তৃণমূলের হয়ে প্রচার করার বার্তা দিয়ে অভিষেক বলেন, ১০০-১১০ দিন লড়াই চালাতে হবে। এরজন্য পাঁচ দিন পাঁচ দিন করে পরিকল্পনা সেট করার বার্তাও দেন অভিষেক। রাজ্যের সরকারি প্রকল্পগুলিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় টানা প্রচার অভিযানে নামার বার্তা দেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। 

অভিষেক বলেন, "বিজেপির সব কটি ভুয়ো প্রচারের কাউন্টার অভিযান চালাতে হবে। কোনও মিথ্যেকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না। বিজেপির অভিসন্ধি, মিথ্যে চক্রান্ত, যড়যন্ত্রের বেড়াজাল আপনাদের ভাঙতে হবে।"

পাশাপাশি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এদিন আইপ্যাক-ইডি বিতর্ক নিয়েও মুখ খোলেন। তিনি বলেন,  'আইপ্যাকের তিন জন ডাইরেক্টর রয়েছেন। একজন দিল্লিতে, একজন তামিলনাড়ুতে এবং একজন বাংলায়। চেন্নাই, দিল্লি ও কলকাতায় আইপ্যাকের অফিস রয়েছে। তা হলে খালি কলকাতার অফিসেই রেড কেন?'

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement