
Ahiritola Ghat incident: আহিরিটোলা ঘাটে শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ জলে পড়ে গেলেন এক যুবক। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাটি ঘটে যায়। ফলে দুর্ঘটনাবশত জলে পড়েছেন নাকি আত্মহত্যার চেষ্টা; তা এখনও স্পষ্ট নয়। চলছে উদ্ধার অভিযান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যুবক জলে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘাটে উপস্থিত মানুষজন চিৎকার করে ওঠেন। দ্রুত পুলিশে খবর দেওয়া হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই পুলিশ আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। পাশাপাশি উদ্ধারকারী বাহিনীর সদস্যদেরও ডাকা হয়। ডুবুরি নামিয়ে নদীতে তল্লাশি শুরু হয়েছে। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ যুবকের কোনও সন্ধান মেলেনি।
এই ঘটনার জেরে সাময়িকভাবে আহিরিটোলা ঘাটে ফেরি পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। সকালবেলার ব্যস্ত অফিস টাইমে লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। হাওড়া থেকে আহিরিটোলা ও বাগবাজার ঘাট পর্যন্ত প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক যাত্রী ফেরি পরিষেবা ব্যবহার করেন। বিশেষ করে অফিসগামীদের ভিড় থাকে এই সময়ে। ফলে আচমকা পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকে বিকল্প পথ খুঁজতে বাধ্য হন।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘাটে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই যুবকের পরিচয় জানার চেষ্টাও চলছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তিনি একাই ঘাটে ছিলেন। তবে ঘটনার প্রকৃতি সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নদীর স্রোত ও জলের গভীরতার কারণে সময় লাগতে পারে। ডুবুরিরা একাধিকবার নদীতে নেমে খোঁজ চালাচ্ছেন। প্রয়োজনে নদীপথে অতিরিক্ত নৌকা নামানো হতে পারে।
এই ঘটনায় শহরের গুরুত্বপূর্ণ নদীঘাটগুলিতে নিরাপত্তা ও নজরদারি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এই ঘাট ব্যবহার করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যস্ত সময়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও সতর্কতা প্রয়োজন। নিত্যযাত্রীদের একাংশের দাবি, ঘাটেই সবসময় ২-৩ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উদ্ধারকারীর টিম ও বোট রাখা উচিত।