Advertisement

এখনও কালো ধোঁয়ায় ঢাকা আনন্দপুরের খাবার কারখানা, ৭ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ অনেকে

ফের একবার শহর কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড। আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ৭। যদিও সূত্রের দাবি, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

আনন্দপুরে খাবার কারখানায় এখনও জ্বলছে আগুনআনন্দপুরে খাবার কারখানায় এখনও জ্বলছে আগুন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 26 Jan 2026,
  • अपडेटेड 8:46 PM IST
  • ফের একবার শহর কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড।
  • আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ৭।
  • যতুগৃহে একাধিক শ্রমিকের আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

ফের একবার শহর কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড। আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ৭। যদিও সূত্রের দাবি, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ, এখনও যতুগৃহে একাধিক শ্রমিকের আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। একটি সূত্র বলছে, নিখোঁজ থাকা শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ১৫। আদৌ তাঁরা বেঁচে আছেন কিনা, তা নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। বহু শ্রমিকের পরিবার অধীর উৎকণ্ঠা নিয়ে জ্বলন্ত কারখানার সামনে অপেক্ষা করছেন...কোনও ম্যাজিকের আশায়। 

সোমবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ ৷ যদিও দমকল মন্ত্রী সুজিত বোস সোমবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে যাননি। সোমবার সন্ধ্যায় পাওয়া খবর অনুযায়ী, আগুন এখনও জ্বললেও তা দমকল নিয়ন্ত্রণে এনেছে। কোথাও কোথাও পকেট ফায়ার রয়েছে। রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, এখনও ব্যাপক ধোঁয়া রয়েছে। ফলে উদ্ধারকার্য ব্যাহত হচ্ছে।

দমকল সূত্রে খবর, আনন্দপুরের ওই ঘটনায় একাধিক দমকল স্টেশন থেকে প্রায় ১২টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ করছে। পাশাপাশি JCB-ও কাজ করছে। কারণ অগ্নিদগ্ধ হওয়া ব্যক্তিদের উদ্ধার করতে ওই কারখানা ভাঙার দরকার হয়ে পড়েছে। 

তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, "কত লোক নিখোঁজ রয়েছে, বা আটকে রয়েছে তা দমকল ভিতরে ঢোকার পর আরও স্পষ্ট হবে। আমরা সকলের সঙ্গে আছি৷ জেসিবি আসছে৷ বিভ্রান্তি না ছড়ানোর জন্য কতজন নিখোঁজ বলা যায় না৷ যাবতীয় সহযোগিতা করা হবে ৷ মুখ্যমন্ত্রী পাশে থেকেছেন৷ সরকারের তরফে সহায়তা করা হবে৷"

কীভাবে আগুন লাগল?

স্থানীয়দের দাবি, মধ্যরাতে গুদামে ধোঁয়া দেখতে পাওয়া যায়। মোটামুটি রাত ৩টে নাগাদ আগুন লাগে। তখনও বেশ কিছু কর্মী ভিতরে কাজ করছিলেন। কিছু স্থানীয় ব্যক্তি দাবি করেছেন, মাঝ রাতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের শব্দও তাঁরা শুনেছেন। যদিও দমকলের তরফে এখনও কোনও অফিসিয়াল বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। দমকলের তরফে বিবৃতির পরেই এই অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু ও আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা করা যাবে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement