Advertisement

Anandapur Fire: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের ৮ দিন পর দুর্ঘটনাস্থলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, উঠছে প্রশ্ন

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের পর কেটে গিয়েছে ৮ দিন। আর আজ সকালে ঘটনাস্থলে গেলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল। আর কমিশনের এই বিলম্বিত সফরেই উঠছে প্রশ্ন।

আনন্দপুর আগুনআনন্দপুর আগুন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 Feb 2026,
  • अपडेटेड 2:40 PM IST
  • আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের পর কেটে গিয়েছে ৮ দিন
  • আজ সকালে ঘটনাস্থলে গেলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল
  • কমিশনের এই বিলম্বিত সফরেই উঠছে প্রশ্ন

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের পর কেটে গিয়েছে ৮ দিন। আর আজ সকালে ঘটনাস্থলে গেলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল। আর কমিশনের এই বিলম্বিত সফরেই উঠছে প্রশ্ন।

যতদূর খবর, সোমবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে পা রাখেন এই প্রতিনিধি দল। বিকেলে তাঁরা দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসকের সঙ্গে বৈঠক সেরে নেন। আর আজ সকালে তাঁরা যান আনন্দপুরের সেই ঘটনাস্থলে। সেখানে গিয়ে তাঁরা সমস্ত দিক খতিয়ে দেখেন। এরপর তাঁরা বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলে খবর।

কেটে গিয়েছে ৮ দিন
আনন্দপুর দুর্ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ৮ দিন। গতকাল পর্যন্ত এখানে চলেছে উদ্ধার কাজ। আর আজ সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দল। 

এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার জন্য ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর সোমবারই পুলিশের পক্ষ থেকে মোমো কোম্পানিতে তল্লাশি চালানো হয়। পাশাপাশি ডেকরেটার্স সংস্থার মালিক গঙ্গাধর দাসের বাড়ি থেকেও প্রয়োজনীয় নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

কী ঘটেছিল?
২৬ জানুয়ারি ভোররাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদে ভয়াবহ আগুন লাগে। সেই আগুন জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যায় একটি ডেকরার্টাসের গুদাম এবং মোমো কারখানার গুদাম। আর এই ঘটনাতেই অনেকের প্রাণ গিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ২৭ জন নিখোঁজ বলে ডায়েরি হয়েছে পুলিশে। শুরু হয়েছে তদন্ত। 

প্রসঙ্গত, আগুন নেভানোর সময় এখানে একাধিক দেহাংশ পাওয়া যায়। তবে সেগুলি শনাক্ত করার অবস্থায় ছিল না। যেই কারণে এই সব দেহাংশের ডিএনএ প্রোফাইলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ। তার মাধ্যমেই দেহাংশগুলিকে চিন্তিত করা সম্ভব হবে বলে খবর। 

বিরোধীদের তোপে তৃণমূল সরকার
আনন্দপুরের দুর্ঘটনার পরই তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একযোগে তোপ দাগে বিজেপি, কংগ্রেস এবং সিপিএম। বিশেষত, বিজেপিকে বেশি সরব হতে দেখা যায় এই ঘটনায়। তারা প্রশ্ন করে, কার গাফিলতিতে এই দুর্ঘটনা ঘটল? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণেই কি গ্রেফতার করা হচ্ছে না মোমো সংস্থার মালিকদের? এমনকী স্বয়ং দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও মোমো সংস্থার সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁতাত প্রসঙ্গ তোলেন।

Advertisement

যদিও এই সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল। তাদের পক্ষ থেকে তদন্ত সঠিক পথে এগচ্ছে বলেই দাবি করা হয়েছে। আর একই কথা পুলিশেরও।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement