Advertisement

Bangladesh: বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় পালিয়ে আসা পরিবার স্ত্রীকে আটকে রেখেছে, হাইকোর্টের দ্বারস্থ বাংলাদেশি যুবক

তাঁদের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি মেয়ের পরিবার। তাই দেরি না করে পরিবারের অমতেই বিয়ে সেরে ফেলেন তাঁরা। কিন্তু বিয়ের পর পরই যে এমন ঘটনা ঘটবে তা হয়তো স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি বাংলাদেশের যুবক অরিজিৎ সরকার। বিয়ের একমাস পরই তাঁর স্ত্রী মমি সাহাকে জোর করে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

স্ত্রীকে ফিরে পেতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ বাংলাদেশি যুবকস্ত্রীকে ফিরে পেতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ বাংলাদেশি যুবক
মৌমিতা ভট্টাচার্য
  • কলকাতা,
  • 09 Mar 2026,
  • अपडेटेड 4:07 PM IST
  • বিয়ের একমাস পরই তাঁর স্ত্রী মমি সাহাকে জোর করে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

তাঁদের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি মেয়ের পরিবার। তাই দেরি না করে পরিবারের অমতেই বিয়ে সেরে ফেলেন তাঁরা। কিন্তু বিয়ের পর পরই যে এমন ঘটনা ঘটবে তা হয়তো স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি বাংলাদেশের যুবক অরিজিৎ সরকার। বিয়ের একমাস পরই তাঁর স্ত্রী মমি সাহাকে জোর করে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর তারপর থেকেই স্ত্রীকে নিজের কাছে নিয়ে আসার অক্লান্ত চেষ্টা করে চলেছেন ওই যুবক। ওপার বাংলা থেকে ভিসা জোগাড় করে এপার বাংলায় চলে এসেছেন স্ত্রীকে নিয়ে যাবেন বলে। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অরিজিৎ। 

ছবি সৌজন্যে: সংগৃহীত

bangla.aajtak.in-এর সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পেশায় ব্যবসায়ী অরিজিৎ জানিয়েছেন যে তিনি ঢাকার নরসিংহ সদরের বাসিন্দা। তাঁর বাড়ির পাশেই থাকতেন মমি সাহা। দুবছর ধরে তাঁদের প্রেমের সম্পর্ক। কিন্তু মেয়ের বাড়ি প্রথম থেকেই এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পরিবারের অমতেই বিয়ে করেন অরিজিৎ ও মমি। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পরই অক্টোবর নাগাদ মেয়ের পরিবার তাঁকে জোর করে বাংলাদেশ থেকে আগরতলা বর্ডারের কাঁটাতর পেরিয়ে, অবৈধভাবে ভারতে নিয়ে আসে। অরিজিৎ বলেন যে তাঁর স্ত্রীকে বিরাটিতে পলি সাহা ও উত্তম সাহার বাড়িতে আটকে রাখা হয়। বাংলাদেশি যুবকের দাবি অনুযায়ী, তাঁর স্ত্রীর আত্মীয় (পলি ও উত্তম সাহা) বাংলাদেশের নাগরিক। অথচ তাঁরা ভারতের নাগরিকত্ব নিয়ে এখানে রয়েছেন। মমি সাহার ভারতে আসার ১৫ দিন পর অরিজিতের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ হয়। যুবকের স্ত্রী জানান যে তাঁকে তাঁর পরিবার আটকে রেখেছে।

ছবি সৌজন্যে: সংগৃহীত

স্ত্রীকে আটকে রাখার খবরে বিচলিত বাংলাদেশি যুবক তড়িঘড়ি করে ভিসা তৈরি করে। এরই মাঝে ফের স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় এবং ফের ২৭ ডিসেম্বর যোগাযোগ হয়। তখনই যুবকের স্ত্রী তাঁকে উদ্ধারের জন্য বলে। সেই অনুযায়ী অরিজিৎ ৩ জানুয়ারি ভারতে চলে আসেন এবং ৪ জানুয়ারি বিরাটিতে স্ত্রীকে আনতে যান। কিন্তু স্ত্রীকে আনতে গিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর খেতে হয় মমি সাহার পরিবারের সদস্যদের হাতে। কোনও রকমে প্রাণে বেঁচে পালিয়ে আসেন ওই বাংলাদেশি যুবক। এরপর তিনি একাধিকবার নিমতা থানায় যোগাযোগ করেন, কিন্তু পুলিশ অভিযোগ নিতে চায় নি বলেই জানিয়েছেন তিনি। 

Advertisement
ছবি সৌজন্যে: সংগৃহীত

এরপর আইনজীবী মুকুল বিশ্বাসের সহায়তায় নিমতা থানার আইসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন অরিজিৎ। গোটা ঘটনাটি তিনি আইসিকে জানিয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এমনকি FIR-ও করেনি পুলিশ। এছাড়াও প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তরে চিঠি দিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাই স্ত্রীকে ফিরে পেতে সোমবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অরিজিৎ সরকার। মামলা দাখিল করেছেন তিনি। ১৭ মার্চ এই মামলার শুনানি। 


 

Read more!
Advertisement
Advertisement