Advertisement

Banglar Yuva Sathi scheme: 'যুব সাথী' পেতে শহরজুড়ে লাইন, ক্যাম্পেই তরুণদের ভোটের বার্তা TMC-র স্বেচ্ছাসেবকদের 

যুব সাথীর ক্যাম্পেই জোরদার ভোটপ্রচার করছে তৃণমূল। এমনটাই অভিযোগ করছে রাজনৈতিক মহল। মাসিক ১,৫০০ টাকা ভাতা পাওয়ার আশায় হাজার হাজার বেকার যুবক-যুবতী ভিড় করছেন এই ক্যাম্পগুলিতে। আর সেই ভিড়ের মাঝেই সক্রিয় রয়েছেন তৃণমূলের স্বেচ্ছাসেবকরা।

বাংলার যুব সাথী প্রকল্পের ক্য়াম্পের ভিড়।-ফাইল ছবি বাংলার যুব সাথী প্রকল্পের ক্য়াম্পের ভিড়।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 20 Feb 2026,
  • अपडेटेड 9:49 AM IST
  • যুব সাথীর ক্যাম্পেই জোরদার ভোটপ্রচার করছে তৃণমূল।
  • এমনটাই অভিযোগ করছে রাজনৈতিক মহল।

যুব সাথীর ক্যাম্পেই জোরদার ভোটপ্রচার করছে তৃণমূল। এমনটাই অভিযোগ রাজনৈতিক মহলের। মাসিক ১,৫০০ টাকা ভাতা পাওয়ার আশায় হাজার হাজার বেকার যুবক-যুবতী ভিড় করছেন এই ক্যাম্পগুলিতে। আর সেই ভিড়ের মাঝেই সক্রিয় রয়েছেন তৃণমূলের স্বেচ্ছাসেবকরা।

শহরের বিভিন্ন প্রান্তে তৈরি হওয়া ক্যাম্পগুলিতে আবেদনকারীদের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। অনেকেই অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগে ভুগছেন। সেখানে দলীয় কর্মীরা স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিচ্ছেন, ফর্ম পূরণে সাহায্য করা, প্রয়োজনীয় নথি জোগাড়ে সহযোগিতা করা, এমনকি বিভিন্ন সংশয় দূর করতেও এগিয়ে আসছেন। একাধিক ক্যাম্পে শিফট ভাগ করে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজ করতে দেখা যাচ্ছে।

ক্যাম্প চালু হওয়ার পর কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় সারাদিন ধরে আবেদনকারীদের সাহায্য করছেন। ল্যাপটপ, পেন, গাম, স্ট্যাপলার হাতে নিয়ে তাঁরা শুধু ফর্ম পূরণেই নয়, অন্য কল্যাণমূলক প্রকল্পের আবেদনের অবস্থাও খতিয়ে দেখছেন। স্বেচ্ছাসেবকরা নিজেকে ‘তৃণমূল যোদ্ধা’ বলেও পরিচয় দিচ্ছেন। অনেক ক্যাম্পে দলীয় সাফল্যের বিবরণ লেখা ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ পুস্তিকাও রাখা হয়েছে।

কলকাতা পুরসভার একাধিক কাউন্সিলররা জানালেন, স্বেচ্ছাসেবকরা শুধু ফর্ম পূরণে সাহায্য করছেন না, পাশাপাশি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বয়স্ক ভাতা-সহ অন্যান্য প্রকল্পের তথ্যও জানাচ্ছেন। আবেদনকারীদের পরিবারের সদস্যদের পুরনো আবেদনের অবস্থাও ওয়েবসাইটে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শিফট সাজিয়ে কাজ করছেন তৃণমূল কর্মীরা।

১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ‘যুব সাথী’ প্রকল্পের আওতায় মাধ্যমিক উত্তীর্ণ ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী বেকাররা পাঁচ বছর বা চাকরি পাওয়া পর্যন্ত মাসে ১,৫০০ টাকা করে পাবেন। প্রথমে ১৫ অগাস্ট থেকে চালুর কথা থাকলেও পরে তা এগিয়ে আনা হয়েছে। কলকাতায় ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রে ৩৫টি ক্যাম্প খোলা হয়েছে। প্রথম কয়েক দিনেই লক্ষাধিক ফর্ম বিতরণ হয়েছে এবং কয়েক হাজার আবেদন জমা পড়েছে। অনলাইন আবেদন চালু হলেও ক্যাম্পগুলিতে ভিড় কমেনি।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ক্যাম্পগুলি মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের সক্রিয় রাখছে এবং তরুণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ করে দিচ্ছে। এক তৃণমূল নেতা বলেন, 'যত বেশি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে, ততই ভালো।'

Advertisement

অন্যদিকে আবেদনকারীদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র। অনেকেই মনে করছেন, মাসিক সহায়তা কিছুটা স্বস্তি দেবে ঠিকই, তবে স্থায়ী কর্মসংস্থান তৈরির ওপর আরও জোর দেওয়া দরকার। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement