Advertisement

Baruipur: GI ট্যাগ পাবে বারুইপুরের দুই ফল ও বাজি শিল্প? কেন্দ্রকে আবেদন নবান্নর

বাংলার একের পর এক জিনিস স্বীকৃতি পেতে চলেছে। রসগোল্লার পর মালদার আম, জয়নগরের মোয়া কেন্দ্রের তরফে জিআই ট্যাগ পেয়েছে। দার্জিলিংয়ের চা, বর্ধমানের সীতাভোগ আগেই জিআই ট্যাগ পেয়েছে। এবার বারুইপুরের  পেয়ারা ও লিচুর জন্য ‘জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন’ ট্যাগ পেতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানাল নবান্ন।

ফাইল ছবি।ফাইল ছবি।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 30 Nov 2023,
  • अपडेटेड 3:54 PM IST
  • বাংলার একের পর এক জিনিস স্বীকৃতি পেতে চলেছে।
  • রসগোল্লার পর মালদার আম, জয়নগরের মোয়া কেন্দ্রের তরফে জিআই ট্যাগ পেয়েছে।

বাংলার একের পর এক জিনিস স্বীকৃতি পেতে চলেছে। রসগোল্লার পর মালদার আম, জয়নগরের মোয়া কেন্দ্রের তরফে জিআই ট্যাগ পেয়েছে। দার্জিলিংয়ের চা, বর্ধমানের সীতাভোগ আগেই জিআই ট্যাগ পেয়েছে। এবার বারুইপুরের  পেয়ারা ও লিচুর জন্য ‘জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন’ ট্যাগ পেতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানাল নবান্ন। সম্প্রতি বিধানসভায় এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈব প্রযুক্তি দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস।

বারুইপুর পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক বিভাস সরদারের একটি প্রশ্নের উত্তরে এ কথা জানিয়েছেন উজ্জ্বল বিশ্বাস। পেয়ারা, লিচুর পাশাপাশি জামরুল এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার অন্যতম বড় কুটিরশিল্প সবুজ আতশবাজিতেও ‘জিআই’ তকমা পাওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

এদিন বিধানসভায় আলোচনা হয় বছর কয়েক আগে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা করা কলকাতার বায়োটেক পার্ক এবং মালদহে গঙ্গার পাড় ভাঙন নিয়েও। সূত্রের খবর, ওই পার্ক গঠনের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে সেখানে ছ’টি সংস্থা জমি নিয়ে উৎপাদনও শুরু করেছে। এর ফলে সেখানে বর্তমানে ৫০০ জনেরও বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে বলে জানা গেছে। মূলত জৈব প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশে এই পার্কটি তৈরি করা হয়েছে। হুগলির গোঘাটের বিজেপি বিধায়ক বিশ্বনাথ কারকের প্রশ্নের জবাবে এমনটাই জানান উজ্জ্বলবাবু।

অন্যদিকে, গঙ্গা ভাঙন রোধে রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক জানিয়েছেন, এখন সেখানে গঙ্গার পাড়ে বিভিন্ন এলাকায় কংক্রিটের বাঁধ দেওয়ার কাজ চলছে। এই কাজে সব মিলিয়ে ২৬.৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরেই মালদহে গঙ্গা ও ফুলহার নদীর ভাঙন বিপজ্জনক আকার নিয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েক হাজার মানুষ এই ভাঙনে নিজেদের জমি-বাড়ি হারিয়েছেন। কংক্রিটের বাঁধে এই পাড় ভাঙনের সমস্যা মিটবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement