Advertisement

'এদের পর্দাফাঁস করা উচিত...', বাংলার ৭ অফিসারকে কমিশনের সাসপেন্ড নিয়ে কী বললেন দিলীপ?

পশ্চিমবঙ্গের ৭ নির্বাচনী আধিকারিককে নির্বাচন কমিশনের তরফে সাসপেন্ড করা নিয়ে এবার মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতাকে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা।

 ৭ অফিসারকে কমিশনের সাসপেন্ড নিয়ে কী বললেন দিলীপ? ৭ অফিসারকে কমিশনের সাসপেন্ড নিয়ে কী বললেন দিলীপ?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 17 Feb 2026,
  • अपडेटेड 9:37 AM IST
  • ৭ নির্বাচনী আধিকারিককে সাসপেন্ড করা নিয়ে এবার মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ।
  • বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা প্রাক্তন সাংসদ দোষী করলেন নির্বাচনী আধিকারিকদেরই।
  • কী নিয়ে দিলীপ ঘোষের এহেন মন্তব্য?

পশ্চিমবঙ্গের ৭ নির্বাচনী আধিকারিককে নির্বাচন কমিশনের তরফে সাসপেন্ড করা নিয়ে এবার মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতাকে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। তার জবাবে, বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা প্রাক্তন সাংসদ দোষী করলেন নির্বাচনী আধিকারিকদেরই।

এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, "তদন্তে উঠে এসেছে কিছু  অফিসার জেনে বুঝে এই বিষয়টিতে জটিলতা সৃষ্টি করছে। এমন বহু কর্মচারী রয়েছেন, যারা এ বিষয়ে অসহযোগিতা করে পুরো ব্যাপারটায় দেরি করছেন। এদের সকলের পর্দাফাঁস করা উচিত...সবাইকে সাজা দেওয়া উচিত।"

কী নিয়ে দিলীপ ঘোষের এহেন মন্তব্য?

আসলে রবিবার পশ্চিমবঙ্গের ৭ নির্বাচনী আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।  ক্যানিং পূর্বের দুই AERO, সুতি বিধানসভার এক AERO, ময়নাগুড়ির এক AERO, ফরাক্কার এক AERO ও সামশেরগঞ্জের এক AERO, ডেবরার AERO-কে সাসপেন্ড করা হচ্ছে, এই মর্মে চিঠি পাঠানো হয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে। 

 

রাজ্যের CEO দপ্তর সূত্রে খবর, SIR-এর কাজে গাফিলতি, অসঙ্গতি এবং ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেই এই আধিকারিকদের সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১৩সিসি ধারার অধীনে ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই অফিসারদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। 

চিঠিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই অফিসারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কোনওরকম বিলম্ব না করে অবিলম্বে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে পদক্ষেপ করতে হবে তাঁদের বিরুদ্ধে। তবে এই নির্দেশ পাওয়ার পরে রাজ্য কী পদক্ষেপ করছে, তাও অবশ্যই কমিশনকে জানাতে হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্যের ৪ আধিকারিককের বিরুদ্ধে FIR করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পূর্ব মেদিনীপুর ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ERO এবং AERO-দের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। ওই আধিকারিকেরা ‘ভুয়ো’ বা ‘ভূতুড়ে’ ভোটারদের নাম তালিকায় বেআইনি ভাবে তুলেছেন বলে অভিযোগ ছিল। এমনকি এরপর তাঁদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে FIR না করার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিবকে দিল্লিতেও তলব করা হয়েছিল। অর্থাৎ SIR কাজে কোনও গড়িমসি পছন্দ করছে না নির্বাচন কমিশন। সংস্থার সাম্প্রতিক সাসপেন্ড পত্রে আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল সেই বার্তাই।

 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement