Advertisement

Dilip Ghosh On Morbi Incident: 'কলকাতাতেও ফ্লাইওভার ভেঙে যায়,' গুজরাত ব্রিজ-বিপর্যয় প্রসঙ্গে দিলীপ

সংস্কারের পর খুলে দেওয়ার ৪ দিনের মধ্যেই ভেঙে পড়ল ব্রিজ। প্রধানমন্ত্রীর সফর চলাকালীন গুজরাতে মাচ্ছু নদীতে ভয়ঙ্কর সেতু-বিপর্যয়। বহু শিশু সহ অন্তত ১৪১ জনের মৃত্যু! নিখোঁজ অনেকে। অতিরিক্ত পর্যটকের ভারে এই দুর্ঘটনা বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতেও শোরগোল।

মোরবি নিয়ে তৃণমূলকে পাল্টা জবাব দিলীপেরমোরবি নিয়ে তৃণমূলকে পাল্টা জবাব দিলীপের
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 31 Oct 2022,
  • अपडेटेड 9:15 AM IST
  • গুজরাতে ব্রিজ বিপর্যয় নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল
  • সংস্কারের পর খুলে দেওয়ার ৪ দিনের মধ্যেই ভেঙে পড়ল ব্রিজ
  • মোরবি নিয়ে তৃণমূলকে পাল্টা জবাব দিলীপের


সোমবার  সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী রাষ্ট্রীয় একতা দিবস হিসাবে পালন করছে বিজেপি। তার অংশ হিসাবেই নিউটাউন ইকো পার্কের আইফেল টাওয়ারের নীচ থেকে রান ফর ইউনিটি শীর্ষক এক দৌড়ে অংশ নেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি যেখানে থাকবেন সেখানে রাজনৈতিক মন্তব্য  হবে না এমনটা হতে পারে না। দিলীপ ঘোষ এদিন জানান,  সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল তৎকালীন ভারতবর্ষের মধ্যে যে বিভক্ত রাজ্যগুলো ছিল সেই রাজ্যগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে আসেন।  তাই ভারতকে এক করে তোলার অবদান বল্লভভাই প্যাটেলের। এটাকে স্মরণে রাখার জন্য তার জন্মতিথিতে রাষ্ট্রীয় একতা দিবস হিসাবে উদযাপন করার জন্য এই দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আর এখানে দাঁড়িয়েই গুজরাতের মোরবি দুর্ঘটনার প্রসঙ্গ নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি।

গুজরাতে  ব্রিজ বিপর্যয় নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল
সংস্কারের পর খুলে দেওয়ার ৪ দিনের মধ্যেই ভেঙে পড়ল ব্রিজ। প্রধানমন্ত্রীর সফর চলাকালীন গুজরাতে মাচ্ছু নদীতে ভয়ঙ্কর সেতু-বিপর্যয়। বহু শিশু সহ অন্তত ১৪১ জনের মৃত্যু! নিখোঁজ অনেকে। অতিরিক্ত পর্যটকের ভারে এই দুর্ঘটনা বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।  তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতেও শোরগোল। এই নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, যারা জল ঘোলা করে ঘোলা জল খেতে ভালোবাসে তারাই করে। সাউথ কোরিয়ায় ব্রিজ ভাঙছে ওখানে বহু লোক মারা গেছে, কলকাতাতেও  ফ্লাইওভার ভেঙে যায়,  যান্ত্রিক গোলযোগ হতেই পারে ভিড়ের চাপে,  বহু মানুষ ঝুলন্ত ব্রিজ চড়ে বসেছে।  আর এটা ঠিক প্রশাসনের এই ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত যাতে এমন ধরনের ঘটনা না ঘটে।

কাটমানি নিয়ে মন্তব্য
ব্রিজ দুর্ঘটনায় ১৪১ জনের মৃত্যির খবরে এখনো পর্যন্ত তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে কত কাটমানি খেয়েছে গুজরাট সরকার।  এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওরা জানে না ব্রিজ কবেকার,কে বানিয়েছে। যাদের মাথায় কাটমানি আছে, তারা সবসময় কাটমানি দেখে।

আরও পড়ুন

নৈহাটি গুলিকাণ্ড নিয়ে দিলীপ ঘোষ
 নৈহাটি গুলিকাণ্ডে ২৪ ঘন্টার মধ্যে কিশোর গ্যাংস্টার ধরা পরে  আমডাঙার জঙ্গল থেকে। এপ্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, কজন ধরা পড়েছে। সব জায়গায় গুলি চলছে,  বোমা ফাটছে,  প্রতিদিন এই ঘটনা হচ্ছে, লোক দেখানো একজন দুজনকে ধরে নিয়ে এলে আদৌ তারা অপরাধী কিনা সমস্যার সমাধান হবে না। এই ঘটনা যাতে বন্ধ হয় এই ধরনের হিংসাশশ্রয়ী ঘটনা সমাজবিরোধী যারা করছে তারা যাতে সাহস না পায় তা দেখতে হবে।  এরকম প্রশাসনিক সক্রিয়তা হওয়া চাই। মানুষ পরিত্রাণ চাইছে। দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, বিহার থেকে আসা অস্ত্রশস্ত্র ধরছে পুলিশ।  দেখুন সারা পশ্চিমবঙ্গে  মুঙ্গের থেকে বিহার থেকে অস্ত্র-স্বাস্থ্য আসছে।  এখান থেকে বাংলাদেশে যায় , এটা করিডোর।  সারা দেশ থেকে গরু আসছে,  বাংলাদেশে যাচ্ছে। গরু কেন ধরছে না পুলিশ। যখন বাড়াবাড়ি হয় পুরনো কিছু অস্ত্র ধরে দেখানো হয় অস্ত্র ধরা পড়েছে । অস্ত্রের ভান্ডার হয়ে গেছে পশ্চিমবাংলা, বারুদের স্তুপ ও হয়ে গেছে। যত সমাজবিরোধী,  দেশ বিরোধী ক্রিয়াকলাপের গড় হয়ে গেছে, সারা ভারতবর্ষ তথা বিশ্বে বিভিন্ন উগ্রপন্থী সংগঠনের যারা মডিউল তারা এখানে থাকছে।  মিজোরাম ,অসম,পঞ্জাব, গুজরাত সেখানকার সন্ত্রাসবাদীরা এখানে এসে থাকছে। সেখানকার পুলিশ এসে ধরে নিয়ে যাচ্ছে এখানকার পুলিশরা জানতেই পারছে না আর এই যে সমস্ত দেশ বিরোধীদের সেল্টার দিয়েছে।  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর উত্তর দিতে হবে বলে কোন সর্বভারতীয় বৈঠকে জাননি।  সেখানে স্বরাষ্ট্র দফতরের সামনে প্রধানমন্ত্রীর সামনে যখন আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে তার উত্তর দিতে পারবেন না।

Advertisement

উৎসব মিটতেই বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল
 উৎসবের মধ্যেই গোষ্ঠীকোন্দল চলেছে।  যত জায়গায় বিজয়া সম্মেলন হয়েছে সব জায়গায় মারপিট হয়েছে।  সেই জন্য বিজয়া সম্মেলন বন্ধ করে দিয়েছে ওরা।  আমরা সাড়ে বারোশো মন্ডলের বিজয়া সম্মেলন করলাম অথচ তৃণমূল ব্লকে ব্লকে করবো বলেছিল কিন্তু কয়েকটা করেই যা নমুনা দেখেছে,  নেতারা সম্মেলনকে যোগ গিয়ে ওখানে দেখেছে। গন্ডগোল থামাতে হয়েছে পুলিশকে। এই সমাজ বিরোধী দল থাকলে বাংলার সর্বনাশ নিশ্চিত। যত পঞ্চায়েত এগোবে মারপিট বাড়বে। কেন্দ্রের টাকা বন্ধ হতেই মারপিট খেয়োখেয়ি শুরু হয়ে গিয়েছে আর এই হিংসার মাধ্যমে ওরা পঞ্চায়েত নির্বাচন করতে চাইছে।

মুখ্যমন্ত্রীর মিডিয়া ট্রায়ালের উপর ক্ষোভ প্রকাশ 
দিপীল ঘোষ বলেন, এখানে গণতন্ত্রের কবরস্থান বানিয়ে দিয়েছেন উনি। পঞ্চায়েত নির্বাচন দেখুন, মিউনিসিপ্যালিটি নির্বাচন দেখুন,  বোম, বন্দুক,  রক্তের বিনিময়ে নির্বাচন হচ্ছে। বিরোধীদের কোন জায়গা নেই। আমাদের একটা গেস্টহাউস দেয় না, একটা হল দেয় না। আমাদের মিটিং করতে দেয় না।  হাজার হাজার কেস আমাদের নামে।  জুডিশিয়ারির এত বড় অপমান অন্য কোথাও হয়নি। পুলিশ কেস করছে,  নিজেরা কেস করছে,  ৪২ হাজার কেস চলছে আমাদের কর্মীদের উপরে,  লক্ষ লক্ষ কর্মী বাড়িছাড়া। তাদের উপর কেস। আজ উনি যখন দলের  নেতারা জেলে গেছেন,  সিবিআই ইডির হাতে ধরা পড়েছে চুরি করে,  তখন ওনার গণতন্ত্র মনে আসছে।

মুখ্যমন্ত্রী ছট পুজোয় প্রার্থনা করেছেন রাজ্যের ছেলেমেয়েরা যাতে চাকরি পায়
মুখ্যমন্ত্রীর তরুণদের চাকরি পাওয়া প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, যেটা পাবে শেষটা বলেননি,  বাংলার সমস্ত ছেলেমেয়েরা যাতে বাংলার বাইরে গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ,  দিল্লিতে চাকরি পায়। এটা উনি প্রার্থনা করেছেন উনি জীবনে চাকরি দিতে পারবেন না।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement