Advertisement

Kolkata Crime: ছাগলের আড়ালে লক্ষ লক্ষ নগদ-কোটি টাকার ড্রাগ, সল্টলেকে মহিলা সহ ধৃত ২

ছাগলের খামারের আড়ালে চলছিল মাদকের কারবার। ছাগল প্রতিপালনের নামে মাদকের কারবরা চলছে জানতে পেরে পুলিশ বৃহস্পতিবার ভোরে সল্টলেকের ওই বাড়িতে হানা দেয়। গ্রেফতার করা হয় এক মহিলা-সহ দু'জনকে। উদ্ধার করা হয় ৫ কেজি মাদক।

ফাইল ছবি।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 16 Mar 2023,
  • अपडेटेड 12:01 PM IST
  • ছাগলের খামারের আড়ালে চলছিল মাদকের কারবার।
  • ছাগল প্রতিপালনের নামে মাদকের কারবরা চলছে জানতে পেরে পুলিশ বৃহস্পতিবার ভোরে সল্টলেকের ওই বাড়িতে হানা দেয়।

ছাগলের খামারের আড়ালে চলছিল মাদকের কারবার। ছাগল প্রতিপালনের নামে মাদকের কারবরা চলছে জানতে পেরে পুলিশ বৃহস্পতিবার ভোরে সল্টলেকের ওই বাড়িতে হানা দেয়। গ্রেফতার করা হয় এক মহিলা-সহ দু'জনকে। উদ্ধার করা হয় ৫ কেজি মাদক।

দক্ষিণ বিধাননগর থানার অন্তর্গত নওভাঙা সেক্টর-৪ এলাকায় হানা দিয়ে প্রায় সাড়ে ৩ কিলোগ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মিলেছে হেরোইন এবং ব্রাউন সুগারের মতো মাদক তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় দেড় কিলো নিষিদ্ধ রাসায়নিক উপকরণ।

পুলিশসূত্রে খবর, ধৃত মবিন খান এবং মেহতাব বেগম ছাগল পালনের ব্যবসা করতেন। ওই ব্যবসার আড়ালেই চলত মাদকের কারবার। ধাপার মনপুর এলাকায় তাঁদের একটি ফ্ল্যাটও রয়েছে।  ধৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতদের রবিবার আদালতে তোলা হবে।

এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে প্রায় তিনদিন আগে পার্ক সার্কাসের একটি মাদকচক্রে প্রথম পুলিস হানা দেয়। সেই সময় বেনিয়াপুকুর থানার পুলিস হানা দেয়। সেখানে হানা দিয়ে একজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। জানা যায় সে পেশায় মাদক পাচারকারী। তার কাছেই প্রথম জানা যায় সেই মাদক সে পেয়েছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার অন্তর্গত একটি বাড়ি থেকে। সেই জায়গা থেকেই প্রথমে বেনিয়াপুকুর থানা এবং তারপরে রাজ্য পুলিসের এসটিএফ-এর নার্কোটিক শাখা তাঁদের কাছে বিধাননগর দক্ষিণ থানা এলাকার, সল্টলেক সেক্টর চারের, ৫বি, নাওভাঙার এই বাড়ির দিকে নজর পরে।

আরও পড়ুন-সিম কার্ড হারিয়েছে, হেয়ার স্ট্রিট থানায় ভুয়ো অভিযোগ, গায়েব সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা, কীরকম?

 

TAGS:
Read more!
Advertisement

RECOMMENDED

Advertisement