Advertisement

ED Arrests: I-PAC তল্লাশি বিতর্কের মধ্যেই কলকাতার নামী ব্যবসায়ী গ্রেফতার, বড় অ্যাকশন ED-র

২৮০০ কোটি টাকা তছরুপের মামলায় পশ্চিমবঙ্গের এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করল ইডি। আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের মধ্যেই এহেন বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। তাদের তরফ থেকে অর্থ তছরুপের তদন্তে এই গ্রেফতারি বলে জানান হয়েছে।

ইডি-এর গ্রেফতারিইডি-এর গ্রেফতারি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 19 Jan 2026,
  • अपडेटेड 9:15 AM IST
  • ২৮০০ কোটি টাকা তছরুপের মামলায় পশ্চিমবঙ্গের এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করল ইডি
  • মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের মধ্যেই এহেন বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সংস্থা
  • তাদের তরফ থেকে অর্থ তছরুপের তদন্তে এই গ্রেফতারি বলে জানান হয়েছে

২৮০০ কোটি টাকা তছরুপের মামলায় পশ্চিমবঙ্গের এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করল ইডি। আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের মধ্যেই এহেন বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। তাদের তরফ থেকে অর্থ তছরুপের তদন্তে এই গ্রেফতারি বলে জানান হয়েছে।

কাকে গ্রেফতার করেছে? 
ইডি সূত্রে খবর, কলকাতার ব্যবসায়ী প্রত্যুষ কুমার সুরেকাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ২৮০০ কোটি টাকা তছরুপের মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। 

আসলে বেশ কিছু দিন ধরনেই গণেশ জুয়েলারি হাউজের ব্যাঙ্ক জালিয়াতির মামলার তদন্ত করছে ইডি। আর সেই মামলাতেই গ্রেফতার করা হল প্রত্যুষকে।

মাথায় রাখতে হবে, বর্তমানে ইডি এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে দ্বৈরথ রয়েছে তুঙ্গে। আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের ফ্ল্যাট এবং অফিসে হানা দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি ইডির সঙ্গে লড়াইতে নেমে পড়েছেন। তিনি প্রতীকের বাড়ি গিয়ে ইডি-এর থেকে জোর করে প্রমাণ নিয়ে এসেছেন বলে অভিযোগ। আর এই কাজে তাঁকে সঙ্গ দিয়েছে রাজ্য পুলিশও বলে দাবি ইডির। 

আর এমন পরিস্থিতিতেও চুপ করে বসে নেই ইডি। তাঁরা এই দুই পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। এমনকী মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার শুনানিও চলছে।

আর এমন পরিস্থিতিতেই আবার কলকাতায় সক্রিয় হল ইডি। তাদের পক্ষ থেকে ব্যাঙ্ক জালিয়াতির মামলায় প্রথম গ্রেফতারি হল। 

কী জানা যাচ্ছে? 
ইডি-এর আধিকারিক সূত্রে খবর, প্রত্যুষ কুমার সুরেকাকে ধারা ১৯ (১)-এর ২০০২ সালের অর্থ তছরুপ আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ব্যক্তি কলকাতার বাসিন্দা। ব্যাঙ্ক জালিয়াতির সঙ্গে যোগ থাকার সন্দেহেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

আসলে এই মামলায় একটা এফআইআর করেছিল সিবিআই। এই এফআইআর-এ SHJHIL এবং তার কর্তাদের বিরুদ্ধে ২৫টি ব্যাঙ্ক থেকে ২৬৭২ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ ওঠে। সেই এফআইআর-এর সূত্র ধরেই তদন্ত করছিল ইডি। আর সেই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে প্রত্যুষের নাম উঠে আসে। তারপর গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

Advertisement

এখন দেখার এই মামলায় আগামিদিনে আরও কাউকে গ্রেফতার করা হয় কি না। যদিও এই নিয়ে এখনও কোনও রাজনৈতিক দলই মুখ খোলেনি।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement