
মোমো ফ্যাক্টরির পর এবার শহরের বিরিয়ানি রেস্তরাঁয় অগ্নিকাণ্ড। বৃহস্পতিবার রাতে লেকটাউনে একটি পরিচিত বিরিয়ানি রেস্তরাঁয় আগুন ধরে যায়। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে রেস্তরাঁর একাংশ। সে সময়ে উপস্থিত ছিলেন একাধিক গ্রাহক। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় তাঁদের মধ্যে।
দুর্ঘটনার খবর শুনে দ্রুত সেখানে পৌঁছয় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। ২ ঘণ্টা ধরে জ্বলতে থাকে দোকানটি। বের করে দেওয়া হয় সমস্ত গ্রাহক ও কর্মীদের। ৩ ইঞ্জিনের প্রচেষ্টায় অবশেষে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। দুর্ঘটনার খবর শুনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছিলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু।
জানা গিয়েছে, ওই রেস্তরাঁর কিচেনে চিমনি থেকে প্রথমে আগুন বেরোতে দেখা যায়। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছিল চারপাশ। কিচেনেই আগুন ধরে যায় বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান দমকলের।
আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে দমকল সূত্রে খবর, দোকানের ভিতরে কেউ আটকে আছেন কি না তা দেখার পরে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে দমকল। সে কারণেই হতাহত এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তবে দোকানে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা সঠিক ভাবে কাজ করেনি কেন এবং আদৌ তা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৫ জানুয়ারি রাতে আনন্দপুরে নাজিরাবাদে একটি গোডাউন এবং সংলগ্ন মোমো ফ্যাক্টরিতে বিধ্বংসী আগুন লাগে। এখনও পর্যন্ত এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২১ জনের দেহাংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ২ দিন ধরে জ্বলতে থাকা ওই ফ্যাক্টরি ও গোডাউন জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন তাঁরা। দমকলের ১২টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ২৮ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে থানায় ডায়েরি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ফের শহরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বৃহস্পতিবার রাতে।