Advertisement

Mukul Roy Death News : মুকুল রায়কে 'খুন' করা হয়েছে? BJP-কে দুষে বিস্ফোরক দাবি ফিরহাদের

মুকুল রায়ের মৃত্যুর জন্য দায়ি বিজেপি। অভিযোগ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁর দাবি, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মুকুল রায়। মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন।

মুকুল রায়ের মৃত্যুব নিয়ে ফিরহাদের প্রতিক্রিয়া মুকুল রায়ের মৃত্যুব নিয়ে ফিরহাদের প্রতিক্রিয়া
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 23 Feb 2026,
  • अपडेटेड 4:09 PM IST
  • মুকুল রায়ের মৃত্যুর জন্য দায়ি বিজেপি
  • অভিযোগ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা মেয়র ফিরহাদ হাকিম

মুকুল রায়ের মৃত্যুর জন্য দায়ি বিজেপি। অভিযোগ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁর দাবি, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মুকুল রায়। মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তার জেরে মৃত্যু হল তাঁর। 

মুকুলের স্মৃতিচারণ করে ফিরহাদ বলেন, 'মুকুল রায় আমাদের কাছে দাদা। ছোটো থেকেই তাঁকে দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে দেখে আসছি। খুব ভালো স্বভাব, ব্যবহার ছিল তাঁর। যখনই কোনও বিপদে পড়তাম তাঁর কাছে ছুটে যেতাম। তিনি সমস্যার সমাধান করে দিতেন। আমরাও তাঁকে বিশ্বাস করতাম।'   

এরপরই বিজেপির উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে ফিরহাদ হাকিম বলেন, ' মুকুল রায়ের উপর চাপ এসেছিল। বিজেপি না করলে জেলে যেতে হবে, এই হুমকি পেয়েছিলেন। আমাদের আদর্শ, আবেগ সব তৃণমূল। কিন্তু নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বিজেপিতে। ওই দলের যাওয়ার পরে মুকুলদা ভিতর থেকে ভেঙে পড়েছিলেন। তিনি খুব ভয়ে থাকতেন। মানসিক ভারসাম্য অনেকটা খুইয়েছিলেন। স্ট্রোক হয়েছিল। তারপর মারা যান। আজ আর মুকুল রায় আমাদের মধ্যে নেই। বিজেপি এই মৃত্যুর জন্য দায়ি। বিজেপি একটা খুনি দল। ওদের হাতে এজেন্সি আছে বলেই চাপ দেবেন? এটা হতে পারে? আমি দাদাকে হারালাম। আমি অনুভব করি যে ওঁর উপর মানসিক চাপ দেওয়া হয়েছিল। তাই মন থেকে ভালো থাকতে পারেননি।' 

১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহযোগী ছিলেন । তাঁকে দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড বলা হত। দলের সংগঠন বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। বিশেষ করে জেলার সংগঠনের ক্ষেত্রে। ২০০৬ সালে তিনি রাজ্যসভার সাংসদ হন। পরে তাঁকে রেলমন্ত্রী করেন মমতা। হয়েছিলেন জাহাজ মন্ত্রীও। 

তবে ২০১৩ সালের সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারি সামনে আসার পর থেকে তিনি চাপে পড়ে যান। দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে। ২০১৭ সালে যোগ দেন বিজেপিতে। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সাফল্যের পেছনে সংগঠন গড়ে তোলায় তাঁর বড় ভূমিকা ছিল। তিনি বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদেও দায়িত্ব পান। শোনা যায় নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে তিনি বিজেপির টিকিটে ভোটে লড়েছিলেন। কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে জেতেন। তবে ফের তৃণমূলে ফিরে আসেন তিনি। 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement