Advertisement

Mamata Banerjee ED raid: দু'পক্ষেরই দাবি, 'নথি কেড়ে নিয়েছে,' ED-র বিরুদ্ধে ঠিক কী কী অভিযোগে হাইকোর্টে গেল TMC?

তৃণমূলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছে ইডি। আবার ইডির বিরুদ্ধে পাল্টা হাইকোর্টে তৃণমূল কংগ্রেসও। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, তৃণমূল কংগ্রেস ইডির বিরুদ্ধে ঠিক কী কী মর্মে পিটিশন ফাইল করেছে হাইকোর্টে।

mamata IPAC raid edmamata IPAC raid ed
মুনিষ পান্ডে
  • কলকাতা, নয়াদিল্লি,
  • 09 Jan 2026,
  • अपडेटेड 10:15 AM IST
  • তৃণমূলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছে ইডি
  • সব পক্ষই আইনের দ্বারস্থ হয়েছে
  • তৃণমূল কংগ্রেস ইডির বিরুদ্ধে ঠিক কী কী মর্মে পিটিশন ফাইল করেছে

I-PAC অফিস ও সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতে  ED-র তল্লাশি ঘিরে বৃহস্পতিবার বেনজির নাটকীয় পরিস্থিতি দেখেছে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও একাধিক পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে তল্লাশি চালানো ইডি-র কাছ থেকে সব নথি, হার্ডডিস্ক জোর করে কেড়ে নিয়েছেন মমতা ও পুলিশের কর্তারা। পাল্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, I-PAC তৃণমূলের পার্টি অফিসেরই অংশ। ইডি-কে কাজে লাগিয়ে তৃণমূলের বিধানসভা ভোট স্ট্র্যাটেজি লুঠ করতেই ED-কে পাঠিয়েছে বিজেপি। সব মিলিয়ে মামলা ইতিমধ্যেই হাইকোর্টে চলে গিয়েছে। সব পক্ষই আইনের দ্বারস্থ হয়েছে।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছে ইডি। আবার ইডির বিরুদ্ধে পাল্টা হাইকোর্টে তৃণমূল কংগ্রেসও। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, তৃণমূল কংগ্রেস ইডির বিরুদ্ধে ঠিক কী কী মর্মে পিটিশন ফাইল করেছে হাইকোর্টে।

প্রাথমিক অধিকার লঙ্ঘন: সংবিধানের আর্টিকল ১৯ ও ২১ অনুযায়ী, ইডি-র বিরুদ্ধে স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় গোপনীয়তার অধিকার রক্ষায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

ক্ষমতার অপব্যবহার: তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, PMLA আইনের ১৭ নম্বর ধারায় ইডির তল্লাশি ও বাজেয়াপ্ত করার পদক্ষেপ আসলে ক্ষমতার অপব্যবহার। এর সঙ্গে কোনও তদন্তের সম্পর্ক নেই। ক্ষমতার অপব্যবহার করে টার্গেট করে এই তল্লাশি।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ: তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, এই অভিযান করে ইচ্ছাকৃতভাবে ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। একটি রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিগত নথি লুঠ করা হয়েছে।

টাকার নয়, তথ্যের কোনও যোগ নেই: যে তথ্য ও ডেটা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তার সঙ্গে কোনও মূল মামলার সরাসরি সম্পর্ক নেই বলে অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের।

নোটিস ছাড়াই বেআইনি তল্লাশি: তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আগাম নোটিস বা কারণ না জানিয়ে সংবেদনশীল নথি ও তথ্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইডি আগে থেকে কোনও রকম নোটিশ বা সহযোগিতার করার আবেদন জানায়নি। 

উদ্দেশ্যহীন তদন্ত: ইডির বিরুদ্ধে তৃণমূলের অভিযোগ, উদ্দেশ্যহীনভাবে এদিক ওদিক খোঁজাখুঁজি করছে, যা আইনসম্মত নয়।

Advertisement

গণতন্ত্রের ওপর আঘাত: তৃণমূলের দাবি, রাজনৈতিক দল গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। ভয় দেখিয়ে বা চাপ দিয়ে দলগুলির কাজকর্মে বাধা দেওয়া উচিত নয়। 

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: ইডি-র বিরুদ্ধে তৃণমূলের অভিযোগ, কেন্দ্রের শাসকদলের হয়ে কাজ করছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। নির্বাচনের আগে বিরোধী দলকে টার্গেট করার উদ্দেশ্যেই এই তল্লাশি।

রাজনৈতিক স্ট্র্যাটেজিস্টকে টার্গেট: I-PAC ও সংস্থার ডিরেক্টররা তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী কৌশলের পরামর্শদাতা। দলের প্রচার সম্পর্কিত সব ডেটা রয়েছে ওই সংস্থার কাছে। সেই সব ডেটা লুঠ করতেই টার্গেট করা হয়েছে। 

গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার ভঙ্গ: ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল রেকর্ড বাজেয়াপ্ত করে ইডি বেআইনি ভাবে পিটিশনারের ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ করেছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement