Advertisement

Howrah: হাওড়ায় ১২ তলা থেকে ভারী রড পড়ল মাথায়, ঘটনাস্থলেই মৃত ২, ব্যাপক ক্ষোভ

হাওড়ায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বহুতলের ওপর থেকে ভারী লোহার রড পড়ে মৃত্যু হল দুই ব্যক্তির। মঙ্গলবার দুপুরে হাওড়া সংলগ্ন একটি ট্রেড সেন্টারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মৃতদের নাম শেখ ইরফান ও খোকন। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হাওড়া থানার পুলিশ। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হাওড়ায় দুর্ঘটনায় মৃত দুই।-ফাইল ছবিহাওড়ায় দুর্ঘটনায় মৃত দুই।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 10 Feb 2026,
  • अपडेटेड 6:26 PM IST
  • হাওড়ায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বহুতলের ওপর থেকে ভারী লোহার রড পড়ে মৃত্যু হল দুই ব্যক্তির।
  • মঙ্গলবার দুপুরে হাওড়া সংলগ্ন একটি ট্রেড সেন্টারে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

হাওড়ায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বহুতলের ওপর থেকে ভারী লোহার রড পড়ে মৃত্যু হল দুই ব্যক্তির। মঙ্গলবার দুপুরে হাওড়া সংলগ্ন একটি ট্রেড সেন্টারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মৃতদের নাম শেখ ইরফান ও খোকন। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হাওড়া থানার পুলিশ। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ট্রেড সেন্টারের সিঁড়িঘরে সকাল থেকে রডের ঢালাইয়ের কাজ চলছিল। কাজ চলাকালীন আচমকাই একটি ভারী লোহার রড উপর থেকে নিচে পড়ে যায়। সেই সময় বহুতলের নিচে কয়েকজন দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দু’জনের উপর সজোরে পড়ে রডটি। ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন তাঁরা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ওই ট্রেড সেন্টারে বহু ব্যবসায়ী তাঁদের মালপত্র সংরক্ষণ করে থাকেন। এ দিন হাওড়ার মঙ্গলাহাটে বাজার বসেছিল। টুপি ব্যবসায়ী শেখ ইরফান তাঁর সামগ্রী রাখতে মুটে খোকনকে সঙ্গে নিয়ে ওই বহুতলের নিচে গিয়েছিলেন। ঠিক সেই সময় উপর থেকে লোহার রডটি পড়ে তাঁদের মাথায় আঘাত করে।

আহত অবস্থায় দু’জনকে দ্রুত হাওড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, বহুতলের ছাদে চারদিকে লোহার রড ও নির্মাণ সামগ্রী ছড়িয়ে ছিল। কোনও ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই কাজ চলছিল বলে অভিযোগ। সেফটি নেট বা নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা ছিল না বলেই দাবি স্থানীয়দের। কীভাবে সেফটি নেট ছাড়া এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ চলছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মৃত শেখ ইরফানের ভাই শেখ ইসলাম বলেন, 'আমরা মালপত্র রাখতে এসেছিলাম। আমিও ঘটনাস্থলে ছিলাম। হঠাৎ করেই দাদার ও খোকনের মাথায় লোহার রডটি পড়ে। উপর থেকে শ্রমিকরা তাকিয়ে দেখলেও কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। প্রায় ২০ মিনিট পরে পুলিশ আসে। তারপর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।'

Advertisement

এই ঘটনায় নির্মাণকাজে চরম অবহেলা ও নিরাপত্তার অভাব স্পষ্ট বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ জানিয়েছে, দায়ীদের চিহ্নিত করতে এবং নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement