Advertisement

Chingrighata Metro: চিংড়িঘাটা মেট্রোতে ঠিক কী জটিলতা? রাজ্যের কাছে সহযোগিতা চাইল BJP

রাজ্যের যুক্তি ছিল, বর্ষবরণ ও গঙ্গাসাগর মেলার মতো বড় অনুষ্ঠানের সময়ে রাতের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কঠিন। তবে আদালত পর্যবেক্ষণ করে জানায়, উৎসবের অজুহাতে উন্নয়নমূলক কাজ থেমে থাকতে পারে না। ২৩ ডিসেম্বর হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দু’টি টানা সপ্তাহান্তে রাতের ট্রাফিক ব্লকের দিন চূড়ান্ত করতে হবে এবং ৬ জানুয়ারির মধ্যে তা সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে জানাতে হবে।

চিংড়িঘাটা ইস্যুতে কেন্দ্র–রাজ্য সংঘাত।-ফাইল ছবিচিংড়িঘাটা ইস্যুতে কেন্দ্র–রাজ্য সংঘাত।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 12 Feb 2026,
  • अपडेटेड 11:45 AM IST
  • চিংড়িঘাটায় মেট্রো প্রকল্পের জটিলতা কাটার বদলে আরও জটিল হচ্ছে।
  • কলকাতা হাইকোর্ট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দিলেও, সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে।

চিংড়িঘাটায় মেট্রো প্রকল্পের জটিলতা কাটার বদলে আরও জটিল হচ্ছে। কলকাতা হাইকোর্ট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দিলেও, সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। সোমবার শীর্ষ আদালতে এ সংক্রান্ত মামলা দায়ের হয়েছে। ফলে নিউ গড়িয়া থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত অরেঞ্জ লাইনের সম্প্রসারণ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।

প্রকল্পের মূল বাধা চিংড়িঘাটা মোড়ের মাত্র ৩১৬ বর্গমিটার এলাকা। সেখানে তিনটি পিলার বসানো বাকি। কাজের স্বার্থে ইএম বাইপাসে সাময়িক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হলেও, সেই অনুমতি বা এনওসি না মেলায় নির্মাণ থমকে রয়েছে বলে অভিযোগ। বিষয়টি আদালতে গড়ায় এবং জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে হাইকোর্ট রাজ্য সরকার, পুলিশ কমিশনার ও ট্রাফিক কর্তাদের প্রয়োজনীয় অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর আদালত সব পক্ষকে বৈঠকে বসে সমাধান খোঁজার নির্দেশ দিয়েছিল। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, উৎসবের মরসুমের পর নভেম্বরের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সপ্তাহান্তে পিলার বসানোর কাজ হবে। নির্মাণকারী সংস্থা আরভিএনএল জানায়, সেই সময় কাজ শুরু হলে নয় মাসে পুরো লাইন চালু করা সম্ভব। কিন্তু পরে প্রয়োজনীয় অনুমতি না মেলায় তারা ফের আদালতের দ্বারস্থ হয়।

রাজ্যের যুক্তি ছিল, বর্ষবরণ ও গঙ্গাসাগর মেলার মতো বড় অনুষ্ঠানের সময়ে রাতের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কঠিন। তবে আদালত পর্যবেক্ষণ করে জানায়, উৎসবের অজুহাতে উন্নয়নমূলক কাজ থেমে থাকতে পারে না। ২৩ ডিসেম্বর হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দু’টি টানা সপ্তাহান্তে রাতের ট্রাফিক ব্লকের দিন চূড়ান্ত করতে হবে এবং ৬ জানুয়ারির মধ্যে তা সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে জানাতে হবে।

এর মধ্যেই রাজ্যের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। কেন্দ্রীয় বাজেটের পর রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব অভিযোগ করেন, রাজ্যের অসহযোগিতার কারণেই কাজ দীর্ঘদিন ঝুলে রয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও বলেন, 'এটি শুধু প্রশাসনিক টানাপোড়েন নয়, নিত্যযাত্রীদের দুর্ভোগের প্রশ্ন। চিংড়িঘাটা মেট্রো সম্প্রসারণ কোনও বিলাসিতা নয়, এটি প্রতিদিনের যাতায়াত, সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের সঙ্গে জড়িত। হাজার হাজার মানুষ এই প্রকল্পের দিকে তাকিয়ে আছেন। আইনি লড়াই নয়, সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমেই দ্রুত সমাধান মিলুক, এটাই এখন শহরবাসীর প্রত্যাশা।'

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement