Advertisement

Kolkata Dog License: কুকুরের লাইসেন্স চেয়েও পাচ্ছেন না বহু মানুষ, কলকাতা পুরসভার ওয়েবসাইটেই বিভ্রান্তি, যা করণীয়

নিয়ম অনুযায়ী কলকাতা শহরে পোষা কুকুর রাখতে হলে  পুরসভার লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক। এ নিয়ম নতুন কিছু না। কিন্তু বাস্তবে শহরে লাইসেন্স নিয়ে কুকুর পোষার লোকজনের সংখ্যা খুবই কম। ১৯৮০ সালের পুর আইনে এ নিয়ম স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে খুব কম মালিকই লাইসেন্স নেন। কারণ, সচেতনতার অভাবের পাশাপাশি প্রক্রিয়াটির জটিলতা ও অস্পষ্ট নিয়মাবলী অনেককেই পিছিয়ে দিচ্ছে।

কলকাতা পুরসভার কুকুরের লাইসেন্সের আবেদন।-ফাইল ছবিকলকাতা পুরসভার কুকুরের লাইসেন্সের আবেদন।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 29 Aug 2025,
  • अपडेटेड 11:05 AM IST
  • নিয়ম অনুযায়ী কলকাতা শহরে পোষা কুকুর রাখতে হলে  পুরসভার লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক।
  • এ নিয়ম নতুন কিছু না। কিন্তু বাস্তবে শহরে লাইসেন্স নিয়ে কুকুর পোষার লোকজনের সংখ্যা খুবই কম।

নিয়ম অনুযায়ী কলকাতা শহরে পোষা কুকুর রাখতে হলে  পুরসভার লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক। এ নিয়ম নতুন কিছু না। কিন্তু বাস্তবে শহরে লাইসেন্স নিয়ে কুকুর পোষার লোকজনের সংখ্যা খুবই কম। ১৯৮০ সালের কেএমসি আইনে এ নিয়ম স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে খুব কম মালিকই লাইসেন্স নেন। কারণ, সচেতনতার অভাবের পাশাপাশি প্রক্রিয়াটির জটিলতা ও অস্পষ্ট নিয়মাবলী অনেককেই পিছিয়ে দিচ্ছে।

তবে, সম্প্রতি পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, শিগগিরই কুকুরের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হবে। এবং না নিলে পোষা প্রাণীর মালিকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এর পর থেকেই অনেকে অনলাইনে লাইসেন্সের প্রক্রিয়া খুঁজতে শুরু করেছেন।

তবে সমস্যা নতুন নয়। উত্তর কলকাতার বাসিন্দা অভিষেক পাল জানান, 'বছর কয়েক আগে লাইসেন্স করাতে গিয়েছিলাম। অফিসে গিয়ে দেখি পুরকর্মীরাই জানেন না কীভাবে করতে হবে। এবার শুনছি অনলাইনে হচ্ছে, তবে এখনও বিষয়টা সহজ নয়।' বর্তমানে প্রতি কুকুরের জন্য বার্ষিক ফি ১৫০ টাকা ধার্য হলেও আবেদন করতে গিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়ছেন।

পুরসভার ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ থাকলেও তা প্রায়ই আটকে যায়। আবেদনকারীরা জানান, ফর্ম মাঝপথে আটকে যায় বা তথ্য দেওয়ার নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেই। একজন জার্মান শেপার্ডের মালিক বলেন, 'ফোন থেকে চেষ্টা করেছিলাম, বারবার এরর দেখাচ্ছিল। শেষে হাল ছেড়ে দিয়েছি।'

এছাড়াও, আবেদন করতে হলে কুকুরের অ্যান্টি-র্যাবিস টিকার প্রমাণপত্র আবশ্যক। পশুচিকিৎসকের স্বাক্ষর ও স্টিকারসহ টিকাকরণ কার্ড ছাড়া লাইসেন্স মঞ্জুর হয় না। অনেক মালিক এই নিয়ম সম্পর্কে জানেন না, ফলে প্রক্রিয়াটি আরও জটিল মনে হচ্ছে।

একজন বিদেশি কুকুরের মালিক বললেন, 'ওয়েবসাইটে কোথাও পরিষ্কার নির্দেশিকা নেই। কীভাবে আবেদন করতে হবে, কী কী কাগজ লাগবে, সবটাই অস্পষ্ট।'

বিশেষজ্ঞদের মতে, সবচেয়ে বড় সমস্যা সচেতনতার অভাব। পুরসভা কখনও জনসচেতনতা অভিযান চালায়নি। ফলে অধিকাংশ কুকুর মালিকই এখনও জানেন না যে লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক।

Advertisement

বর্তমানে বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণ ও পোষা প্রাণীর দায়িত্বশীলতা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই এই লাইসেন্স প্রক্রিয়ার অস্পষ্টতা নতুন প্রশ্ন তুলছে। মালিকদের দাবি, অনলাইন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও স্বচ্ছ করা না হলে এই নিয়ম কার্যকর করার বদলে সাধারণ মানুষকে বাড়তি ভোগান্তিতে ফেলবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement