Advertisement

Restaurants In Kolkata: কলকাতার অধিকাংশ রেস্তোরাঁ এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধ হতে পারে? গুরুতর দাবি

কলকাতা শহরে LPG সিলিন্ডারের সাপ্লাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলিতে। এমনটাই দাবি করছেন হোটেল এবং রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশনের কর্তা সুদেশ পোদ্দার। অবিলম্বে সাপ্লাই শুরু না হলে, অধিকাংশ রেস্তোরাঁই আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধ করে দিতে পারে ঝাঁপ। খোজ নিল bangla.aajtak.in.

কলকাতা রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে যাবে? কলকাতা রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে যাবে?
রূপসা ঘোষাল
  • কলকাতা ,
  • 10 Mar 2026,
  • अपडेटेड 6:34 PM IST
  • মঙ্গলবার থেকে আর গ্যাস সাপ্লাই নেই শহরের রেস্তোরাঁগুলিতে
  • এমনটাই দাবি হোটেল অ্যান্ড রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশনের
  • ১ সপ্তাহের মধ্যে বন্ধ হয়ে যেতে পারে রেস্তোরাঁ

ঝাঁপ বন্ধ হতে পারে কলকাতার একাধিক ছোট-বড় রেস্তোরাঁর? LPG সিলিন্ডার সঙ্কটের আশঙ্কার আবহে বড় দাবি করল হোটেল অ্যান্ড রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া। bangla.aajtak.in-এ সংগঠনের কর্তা সুদেশ পোদ্দার জানালেন, মঙ্গলবার থেকে আর মিলছে না সিলিন্ডার। হোটেল-রেস্তোরাঁগুলির কাছে আর যা স্টক রয়েছে, তাতে খুব বেশিদিন চালানো সম্ভব নয়। 

হোটেল অ্যান্ড রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার কর্তা সুদেশ পোদ্দার বলেন, 'ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই গ্যাস সরবরাহে শর্টেজ ছিল। তবুও কিছু কিছু করে মিলছিল। গতকাল পর্যন্তও গ্যাস সিলিন্ডার পেয়েছি। কিন্তু আজ থেকে সম্পূর্ণ সরবরাহ বন্ধ। এমন চলতে থাকলে হোটেল-রেস্তোরাঁ আর খাবার রান্না করতে পারবে না। সরবরাহ ফের শুরু না হলে একাধিক রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।'

কত দিনের স্টক রয়েছে?
সুদেশ পোদ্দার বলেন, 'কতগুলি সিলিন্ডার তোলা যাবে তার একটি নির্দেশিত সংখ্যা রয়েছে। কোনও রেস্তোরাঁয় ৩ দিন, কোথাও ৪ দিন তো আবার কোথাও ৭ দিনের স্টক থাকে। কাল-পরশু থেকে শর্টেজ শুরু হয়ে যাবে কলকাতার রেস্তোরাঁগুলিতে। এরপর অত্যন্ত সময় আরও খারাপ হতে চলেছে।' তাঁর সংযোজন, 'গত ৩-৪ দিন ধরেই ১০টা করে সিলিন্ডার অর্ডার করলে ৫টা আসছিল। ইতিমধ্যেই শর্টেজ রয়েছে। আজ থেকে একদম সাপ্লাই বন্ধ হয়ে গেল।'

কলকাতার কতগুলি হোটেলের ঝাঁপ বন্ধ হবে?
কলকাতায় সরাসরি এই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য রয়েছে ১৫০০। এক একটা রেস্তোরাঁ চেনে ১০, ১৫, ২০টি পর্যন্ত হোটেল থাকে। সেক্ষেত্রে প্রায় ৫ হাজার রেস্তোরাঁ রয়েছে। সুদেশ পোদ্দারের দাবি, 'যদি অবিলম্বে সাপ্লাই শুরু না হয় তবে এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিনের মধ্যে অধিকাংশ রেস্তোরাঁই বন্ধ করে দিতে হবে।' এই মর্মে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকে একটি চিঠি লিখে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অবিলম্বে সরবারহ করার দাবি তুলেছে এই অ্যাসোসিয়েশন। 

সুদেশ পোদ্দারের কথায়, 'যদি গ্যাস না পাওয়া যায় তাহলে রেস্তোরাঁগুলি খাবার রান্না করবে কীকরে। আর যদি খাবার রান্নাই না করতে পারে তাহলে গ্রাহকদের টেবিলে কী সার্ভ করবে আর তাঁরাই বা আসবে কেন।'

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement