Advertisement

Kolkata Municipal Corporation: পুরসভার স্ক্রিনিংয়ে কলকাতায় ১১ বিরল রোগীর হদিস, সন্দেহভাজন আরও ১৫

পুরসভার উদ্যোগে শহরের ১০টি ওয়ার্ডে এক বছর ধরে চালানো বিরল রোগ শনাক্তকরণ কর্মসূচিতে উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই স্ক্রিনিংয়ে এখনও পর্যন্ত ১১ জনের শরীরে বিরল রোগ নিশ্চিত হয়েছে। আরও ১৫ জনের ক্ষেত্রে রোগের সন্দেহ রয়েছে, তবে অর্থাভাবে তাঁদের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 28 Feb 2026,
  • अपडेटेड 9:37 AM IST
  • পুরসভার উদ্যোগে শহরের ১০টি ওয়ার্ডে এক বছর ধরে চালানো বিরল রোগ শনাক্তকরণ কর্মসূচিতে উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
  • ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই স্ক্রিনিংয়ে এখনও পর্যন্ত ১১ জনের শরীরে বিরল রোগ নিশ্চিত হয়েছে।

পুরসভার উদ্যোগে শহরের ১০টি ওয়ার্ডে এক বছর ধরে চালানো বিরল রোগ শনাক্তকরণ কর্মসূচিতে উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই স্ক্রিনিংয়ে এখনও পর্যন্ত ১১ জনের শরীরে বিরল রোগ নিশ্চিত হয়েছে। আরও ১৫ জনের ক্ষেত্রে রোগের সন্দেহ রয়েছে, তবে অর্থাভাবে তাঁদের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

চিহ্নিত রোগগুলির মধ্যে রয়েছে ডুচেন মাসকুলার ডিসট্রফি (ডিএমডি), স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রোফি (এসএমএ), নুনান সিনড্রোম এবং হান্টার সিনড্রোম, যেগুলি সবই জিনগত অসুখ।

এই কর্মসূচি পরিচালনায় পুরসভার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে Organisation for Rare Diseases India (ওআরডিআই) এবং Rare Warriors of Bengal Association (আরডব্লিউবিএ)। প্রাথমিক পর্যায়ে ৩২টি প্রশ্নের একটি সমীক্ষার মাধ্যমে পরিবারগুলির সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। আশা কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে উত্তরগুলির ভিত্তিতে স্কোরশিট তৈরি করতে বলা হয়েছিল। সেই মূল্যায়নে ৭২টি পরিবারকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে কেএমসি ক্লিনিকে ডেকে আরও পরীক্ষা করা হয়।

ওআরডিআই-এর রাজ্য সমন্বয়কারী ও মেডিক্যাল জেনেটিসিস্ট দীপাঞ্জনা দত্ত জানান, শনাক্ত ১১ জনের মধ্যে সকলেই নিয়মিত ফলো-আপে আসছেন না। বর্তমানে প্রায় চারজনের চিকিৎসা চলছে, তাঁদের এসএসকেএম হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

এই কর্মসূচির একটি ইতিবাচক দিকও সামনে এসেছে। স্ক্রিনিং চলাকালীন দু’টি পরিবারে দেখা যায়, তাঁদের প্রথম সন্তান বিরল রোগে আক্রান্ত। দ্বিতীয় সন্তানের পরিকল্পনার আগে তাঁদের কাউন্সেলিং এবং প্রসবপূর্ব স্ক্রিনিংয়ে সাহায্য করা হয়। ফলস্বরূপ, দুই পরিবারই সুস্থ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।

তবে অর্থাভাব বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সন্দেহভাজন ১৫ জনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এখনও হয়নি। কিছু বিশেষ পরীক্ষা, যেমন এনজাইম টেস্ট বা স্লিপ স্টাডি, সরকারি হাসপাতালে পাওয়া যায় না এবং বেসরকারি ক্ষেত্রে করাতে কয়েক হাজার টাকা খরচ হয়, যা অনেক পরিবারের পক্ষে বহন করা কঠিন।

পুরসভার ডেপুটি মেয়র তথা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান অতীন ঘোষ এই স্ক্রিনিং কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর প্রস্তাব, শহরের ১৪৪টি ওয়ার্ডের সমস্ত স্বাস্থ্য ক্লিনিক ও ৩৬টি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টারে এই উদ্যোগ ছড়িয়ে দেওয়া হোক। প্রাথমিক স্ক্রিনিং যেহেতু প্রশ্নভিত্তিক, তাই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিলেই তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব বলে তিনি মত দেন।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement