Advertisement

প্রতীকের ফোন ছিনতাই মমতার, ED-কে ধমক ডিজিপি রাজীবের: সূত্র

ইডি আধিকারিকদের থেকে প্রতীক জৈনের ফোন ছিনিয়ে নেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটাই সূত্রের তরফে দাবি করা হয়েছে।

প্রতীকের ফোন ছিনিয়ে নিয়েছিলেন মমতা, দাবি সূত্রেরপ্রতীকের ফোন ছিনিয়ে নিয়েছিলেন মমতা, দাবি সূত্রের
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 09 Jan 2026,
  • अपडेटेड 2:30 PM IST
  • তল্লাশি চলাকালীন সময়ে DGP-ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।
  • DGP দাবি করেন,পঞ্চনামায় যেন কোনও কিছুই না লেখা না হয়।

বৃহস্পতিবার রাজ্যে ইডি-র তল্লাশি ঘিরে শোরগোল রাজনৈতিক মহলে। I-PAC-এর অফিসে ও প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। কিন্তু রাজ্য সরকার ও খোদ মুখ্যমন্ত্রীর তরফে এই তল্লাশি অভিযানে বাধা দানের অভিযোগ উঠেছে। এরইমধ্যে নয়া দাবি ঘিরে শোরগোল। ইডি আধিকারিকদের থেকে প্রতীক জৈনের ফোন ছিনিয়ে নেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই ইডি সূত্রের তরফে দাবি করা হয়েছে। 

পাশাপাশি সূত্রের দাবি, তল্লাশি চলাকালীন সময়ে DGP-ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি ইডি আধিকারিকদের হুমকিও দেন বলে অভিযোগ। সূত্রের তরফে দাবি করা হয়েছে, ঘটনাস্থলে এসে DGP ইডি-র তিন আধিকারিককে এসে হুমকি দিয়ে বলেন, পঞ্চনামায় যেন কোনও কিছুই না লেখা না হয়। এমনকী কোনও জিনিস উদ্ধার করা হয়েছে, তাও লেখা যাবে না বলে নির্দেশ দেয়।

ইডির বক্তব্য অনুযায়ী, গোটা ঘটনায় তিনজন ইডি আধিকারিকের মুখোমুখি ছিলেন ডজনখানেক পুলিশকর্মী এবং মুখ্যমন্ত্রীর জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তারক্ষীরা। যদি ইডি আধিকারিকরা পঞ্চনামায় কিছু লেখেন, তবে তাঁদেরকে গ্রেপ্তারির হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে, সাক্ষীদেরও কলকাতা পুলিশ ও মুখ্যমন্ত্রীর কর্মীরা হেনস্থা ও ভয় দেখিয়েছে বলে অভিযোগ।

চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগ ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে  রীতিমতো আলোড়ন পড়ে  গিয়েছে। ঘটনা নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, এই ঘটনায় ইডি-র বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দায়ের হওয়া মামলায় মূলত চুরি, বেআইনি প্রবেশ (ক্রিমিনাল ট্রেসপাস) এবং ইলেকট্রনিক প্রমাণ চুরির অভিযোগ আনা হয়েছে।  মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও ওই একই থানায় ED-র বিরুদ্ধে পৃথক একটি অভিযোগও দায়ের হয়েছে। সেটি অবশ্য পুলিশের সুয়ো মোটো। দ্বিতীয় FIR-এ সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া এবং বেআইনি ভাবে আটকে রাখার অভিযোগ তোলা হয়েছে। যদিও এই দুটি ক্ষেত্রেই অভিযুক্ত হিসেবে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের নাম বলা হয়েছে। কোনও নির্দিষ্ট ED আধিকারিকের নাম FIR কপিতে উল্লেখ নেই।
 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement