Advertisement

WB Politics News: কয়লা পাচারের টাকা শুভেন্দুর মাধ্যমে অমিত শাহের কাছে যায়, গুরুতর দাবি মমতার

'জগন্নাথের মাধ্যমেই টাকা পৌঁছয় শুভেন্দু অধিকারীর কাছে, আর সেখান থেকে তা যায় অমিত শাহের হাতে।' অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কেন্দ্রীয় সংস্থার ‘অপব্যবহারে’র প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেলে রাজপথে নামে তৃণমূল।

মমতার দাবি, 'জগন্নাথের মাধ্যমেই টাকা পৌঁছয় শুভেন্দু অধিকারীর কাছে, আর সেখান থেকে তা যায় অমিত শাহের হাতে।' মমতার দাবি, 'জগন্নাথের মাধ্যমেই টাকা পৌঁছয় শুভেন্দু অধিকারীর কাছে, আর সেখান থেকে তা যায় অমিত শাহের হাতে।' 
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 09 Jan 2026,
  • अपडेटेड 6:04 PM IST
  • প্রতিবাদ সভা থেকেই বিস্ফোরক ভাষায় কেন্দ্র ও বিজেপিকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
  • সরাসরি নাম করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করেন।
  • বলেন, 'আমরা যদি চাইতাম, অনেক কিছু করতে পারতাম।'

'জগন্নাথের মাধ্যমেই টাকা পৌঁছয় শুভেন্দু অধিকারীর কাছে, আর সেখান থেকে তা যায় অমিত শাহের হাতে।' অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কেন্দ্রীয় সংস্থার ‘অপব্যবহারে’র প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেলে রাজপথে নামে তৃণমূল। ইডি-আইপ্যাক ঘটনার আবহে মিছিলের ডাক দিয়েছিলেন মমতা। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে শহরের রাস্তায় পা মেলান তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মিছিল শেষে হাজরা মোড়ে আয়োজিত প্রতিবাদ সভা থেকেই বিস্ফোরক ভাষায় কেন্দ্র ও বিজেপিকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সরাসরি নাম করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করেন। বলেন, 'আমরা যদি চাইতাম, অনেক কিছু করতে পারতাম। বলছে কয়লার টাকা। কে খায়? অমিত শাহ খায়… স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।' মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, 'গদ্দারের মাধ্যমে টাকা যায়। গদ্দার দত্তক পুত্র হয়ে গিয়েছে। সঙ্গে আছে এক জগন্নাথ। বড় ডাকাত জগন্নাথ, বিজেপির।' মমতার দাবি, 'জগন্নাথের মাধ্যমেই টাকা পৌঁছয় শুভেন্দু অধিকারীর কাছে, আর সেখান থেকে তা যায় অমিত শাহের হাতে।' 

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আপনাদের ভাগ্য ভাল এখনও। আমি চেয়ারে আছি বলে ওই পেন ড্রাইভগুলো বাইরে বের করে দিই না। বেশি লাগালে কিন্তু বলে দিচ্ছি, আমার কাছে সব পেন ড্রাইভ করা আছে। আমি কিন্তু ফান্ডা ফাঁস করে দেব।'  বলেন, 'আমি অনেক কিছু জানি। বলি না শুধু দেশের স্বার্থে। আমি মুখ খুলি না, দেশটাকে ভালবাসি বলে। কিন্তু মনে রাখবেন, এটা দুর্বলতা নয়।'

বৃহস্পতিবার আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে ইডি-র তল্লাশির খবর আসতেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি প্রতীকের বাড়িতে ঢোকেন। কিছুক্ষণ পর সবুজ রঙের একটি ফাইল হাতে বেরিয়ে আসেন মমতা। তখনই তিনি অভিযোগ করেন, ইডি তাঁর দলের আইটি সেক্টরের অফিস ও ইনচার্জের বাড়িতে হানা দিয়েছে এবং দলের হার্ড ডিস্ক, ফোন, প্রার্থিতালিকা ও পার্টির স্ট্র্যাটেজি বাজেয়াপ্ত করার চেষ্টা করছে।

প্রতীকের বাড়ির পর সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের দফতরেও পৌঁছোন মুখ্যমন্ত্রী। দফতর থেকে নীচে নামার সময় পুলিশকর্মীদের হাতে ফাইলের গোছা দেখা যায়। সেগুলি মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ির পিছনের আসনে তোলা হয়। রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারও তখন সেক্টর ফাইভে পৌঁছে যান।

Advertisement

মমতার অভিযোগ, নির্বাচনের আগে পরিকল্পিত ভাবে তাঁর দলের নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করার চেষ্টা চলছে। সেই ঘটনারই প্রতিবাদে শুক্রবার মিছিল ও সভা করে তৃণমূল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি যে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে, তা বলাই বাহুল্য। 

Read more!
Advertisement
Advertisement