Advertisement

Maa Canteen: ৫ টাকার ডিম-ভাত কই? মা ক্যান্টিনের খাবার আলাদা করে বিক্রির অভিযোগ

Maa Canteen Egg Meal: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বাংলায় চালু হয় মাত্র ৫ টাকায় পেট ভরে ডিম-ভাত দেওয়ার জনদরদী প্রকল্প। কিন্তু ৫ টাকায় পেট ভরে ভাত জুটছে না অনেকের কপালেই। একটু বেলা হলেই মা ক্যান্টিন থেকে ৫ টাকার সরকারি মিল পাচ্ছেন না অনেকেই।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বাংলায় চালু হয় মাত্র ৫ টাকায় পেট ভরে ডিম-ভাত দেওয়ার জনদরদী প্রকল্প।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বাংলায় চালু হয় মাত্র ৫ টাকায় পেট ভরে ডিম-ভাত দেওয়ার জনদরদী প্রকল্প।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 14 Dec 2022,
  • अपडेटेड 5:10 PM IST
  • মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বাংলায় চালু হয় মাত্র ৫ টাকায় পেট ভরে ডিম-ভাত দেওয়ার জনদরদী প্রকল্প।
  • কিন্তু ৫ টাকায় পেট ভরে ভাত জুটছে না অনেকের কপালেই।
  • একটু বেলা হলেই মা ক্যান্টিন থেকে ৫ টাকার সরকারি মিল পাচ্ছেন না অনেকেই।

Maa Canteen Egg Meal: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বাংলায় চালু হয় মাত্র ৫ টাকায় ডাল, ভাত, সব্জি আর একটি ডিম গরিব মানুষের পাতে তুলে দেওয়ার বিশেষ প্রকল্প ‘মা ক্যান্টিন’ (Maa Canteen)। মাত্র ৫ টাকায় পেট ভরে ভাত, বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির জামানায় যা প্রায় অবিশ্বাস্য! ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলায় চলছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের প্রকল্প ‘মা ক্যান্টিন’ (Maa Canteen)। তবে এই প্রকল্প থেকে ৫ টাকায় পেট ভরে ভাত জুটছে না অনেকের কপালেই। ক্যান্টিনের স্টলের তেমন লাইন নেই, ভীড় হচ্ছে না, তবুও ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই ফুরিয়ে যাচ্ছে ৫ টাকার সরকারি মিলের খাবার। এমনই অভিজ্ঞতা হয়েছে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তের অনেক দুঃস্থ মানুষের।

জানা গিয়েছে, প্রতিটি মা ক্যান্টিন থেকে প্রতিদিন ৩০০ প্লেট খাবার ৫ টাকায় মানুষের হাতে তুলে দেওয়ার কথা। কিন্তু শহরের কোথাও দিনে মাত্র ৫০ থেকে ৭০ প্লেট, তো কোথাও আবার বড়জোড় ১২৫ প্লেট খাবার বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। তাই একটু বেলা হলেই মা ক্যান্টিন থেকে ৫ টাকার সরকারি মিল পাচ্ছেন না অনেকেই।

শহরের কোনও কোনও ক্যান্টিন থেকে পাঁচ টাকায় আলাদা করে শুধু ডিম বিক্রির অভিযোগ মিলেছে। কিছু ক্যান্টিনে সামান্য পরিমাণে ভাত-সবজি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। শহরের অনেক এলাকায় এই ক্যান্টিন নিয়মিত চলে না বলেও জনিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মা ক্যান্টিনে কর্মরত স্বনির্ভর গোষ্ঠীর এক মহিলা জানান, আলাদাভাবে ডিম বিক্রি করা হয় না। তবে অনেক ভাত ফুরিয়ে গেলে বাধ্য হয়েই শুধু ডিম বা সবজি যা পড়ে থাকে, তা-ই ৫ টাকায় দিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু যেখানে ৩০০ প্লেট বরাদ্দ, সেখানে ভাত ফুরিয়ে যায় কী করে? এই প্রশ্নের উত্তরে ভাত পরিবেশনের সময় মাপের ‘অনিচ্ছাকৃত গন্ডোগোল’কেই দায়ি করা হয়েছে।

প্রশ্ন উঠছে, যেখানে প্রতিটি মা ক্যান্টিন থেকে প্রতিদিন ৩০০ প্লেট খাবার ৫ টাকায় বিক্রি করার কথা, সেখানে তার অর্ধেকেরও কম প্লেট বিক্রি হচ্ছে কী করে? বাকি বরাদ্দ খাবার যাচ্ছে কোথায়? পুরসভায় কি প্রতিদিন ঠিক কত প্লেট খাবার বিক্রি হচ্ছে, তার সঠিক তথ্য পৌঁছাচ্ছে? পুরসভার সামাজিক সুরক্ষা বিভাগের তরফে এ প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement