Advertisement

Anandapur Fire: আনন্দপুরে ভয়াবহ আগুন, মাঝরাত থেকে জ্বলছে, কর্মীদের আটকে পড়ার আশঙ্কা

ছুটির শহরে ফের অগ্নিকাণ্ড। প্রজাতন্ত্র দিবসের ভোরে ভয়াবহ আগুন আনন্দপুরের নাজিরাবাদের শুকনো খাবারের গুদামে। রাত ৩টে থেকে আগুন জ্বলছে। টিনের শেড দেওয়া ওই গুদামটিতে দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে আগুন। ঘটনাস্থলে দমকলের ১২টি ইঞ্জিন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করলেও, ভেতরে কয়েকজন কর্মীর আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আনন্দপুরের গোডাউনে বিধ্বংসী আগুনআনন্দপুরের গোডাউনে বিধ্বংসী আগুন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 26 Jan 2026,
  • अपडेटेड 10:54 AM IST

ছুটির শহরে ফের অগ্নিকাণ্ড। প্রজাতন্ত্র দিবসের ভোরে  ভয়াবহ আগুন আনন্দপুরের নাজিরাবাদের শুকনো খাবারের গুদামে। রাত ৩টে থেকে আগুন জ্বলছে।  টিনের শেড দেওয়া ওই গুদামটিতে দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে আগুন। ঘটনাস্থলে দমকলের ১২টি ইঞ্জিন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করলেও, ভেতরে কয়েকজন কর্মীর আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

সূত্রের খবর, রাত আড়াইটে নাগাদ আগুন লাগে। ওই  গোডাউনের পাশে একটি অনলাইন স্টোরের গোডাউন ছিল। সেখানেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দোকানে মজুত ছিল কোল্ড ড্রিঙ্ক এবং আরও অনেক দাহ্য পদার্থ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১২টি ইঞ্জিন। এর পরে দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন বেশ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। আপাতত আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন দমকলের কর্মীরা। ভিতরে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও দমকলের তরফে জানানো হয়।

কী ভাবে সেখানে আগুন লাগল, এখনও স্পষ্ট নয়। মধ্যরাতে গুদামে ধোঁয়া দেখতে পেয়ে কয়েক জন দমকলকে খবর দেন। তবে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই গুদামে রাতের ডিউটিতে ছিলেন বেশ কয়েক জন। তাঁদের খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি। পরিবারের আশঙ্কা, তাঁরা ভিতরেই আটকে পড়েছেন। দমকল সূত্রে খবর, রাত ৩টে নাগাদ তাদের কাছে খবর আসে। কিছু ক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে দমকলকর্মীরা পৌঁছে গিয়েছিলেন। রাতের ডিউটির কর্মীদের বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেনি দমকল। আগুন না-নেবা পর্যন্ত তা বলা সম্ভব হবে না। আগুনের ভয়াবহতার থেকেও বড় আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে নিখোঁজ কর্মীদের বিষয়টি। স্থানীয়দের দাবি, আগুন লাগার সময় গোডাউনের ভেতরে ৩-৪ জন কর্মী ছিলেন। আগুন লাগার পরেই ভেতর থেকে চিৎকার ও চেঁচামেচি শোনা গিয়েছিল। কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কেউ বের হতে পেরেছেন কি না, তা নিশ্চিত নয়। এখনও পর্যন্ত তাঁদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement