
Baisakhi Banerjee Partha Chatterjee: রাজ্য়ের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বৈশাখী বন্দ্য়োপাধ্যায়। এক চ্য়ানেলে তিনি বলেন, "এই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের চেহারাটা অচেনা। এটুকু বলতে পারি।" দুর্নীতি নিয়েও তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। দাবি করেছেন, অনিয়মের ব্যাপারে মন্ত্রীকে জানালেও কাজের কাজ হয়নি।
অচেনা
বৈশাখী বন্দ্য়োপাধ্যায় বলেন, "দু-তিন ধরে যা দেখেছি, মনখারাপ করা একটা দৃশ্য। একটু হলেও মনে হত কাছ থেকে দেখেছি, এই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের চেহারাটা অচেনা। এটুকু বলতে পারি।"
ওয়েবকুপার জেনারেল সেক্রেটারি
তিনি বলেন, "আমি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বলতে শুনেছিলাম, আমাকে যখন ওয়েবকুপার জেনারেল সেক্রেটারি করেছিলেন, উনি একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছিলেন। উনি একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছিলেন। ওঁকে সবাই বুঝিয়েছিল বৈশাখী রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে আপনার বড় সমালোচক। তা হলে আপনি কেন ওঁকে জেনারেল সেক্রেটরি করলেন।"
সম্পন্ন পরিবার থেকে
তিনি বলেন, "তখন উনি বলেছিলেন আমি চাই বৈশাখীর মতো মেয়েরা, যাঁরা সম্পন্ন পরিবার থেকে আসছে, যাঁরা অর্থের জন্য রাজনীতি করবে না, এ রকম মেয়েরা রাজনীতিতে আসুক। তা হলে চুরি হবে না। তিনি এইটা দিয়ে আমার রাজনীচতির ক্যারিয়ারের অভিষেক করেছিলেন।"
অ্যাকাডেমিক মাফিয়া
তিনি আরও বলেন, "তিনি পরবর্তী কালে, এটা বলা খুব জরুরি, যাঁরা ভাবেন আমি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বৃত্তে ছিলাম, বোধহয় অনুকম্পার প্রসাদ নিয়েছি, তাঁদের এটা জানা দরকার, সেটা ওয়েবকুপার জেনারেল সেক্রেটারি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেটা দেখতে পারছিলাম, স্য়র আমরা শিক্ষক সংগঠনের নেতা কম, অ্যাকাডেমিক মাফিয়াতে পরিণত হচ্ছে। আপনারা প্রত্যেকটার পোস্টের প্রাইস ট্যাগ লাগিয়ে দিচেছেন। প্রত্যেক জায়গায় দুর্নীতি হয়েছে। যা থামানো দরকার। ২০১৭ সালে পদত্যাগ করতে চাই। এই পরিবেশে দমবন্ধ লাগছে। আপনি নিষ্কৃতি দিন।
তিনি বলেন, "কারণ যেখানে আমি দেখছি দিনর পর দিন এমন দুর্নীতি চলছে। যে দুর্নীতি পুরো ব্যবস্থাকে ভেঙে দেবে। এর বরুদ্ধে আমার লড়াই ছিল। শিক্ষা জগতে এসেছিলাম একটা অন্য আদর্শ নিয়ে। মনে হচ্ছিল আমি হেরে যাচ্ছিলাম। তিনি তখন বলেছিলেন, আগেবপ্রবণ হয়ে পোড়ো না। তুমি দায়িত্ব চালিয়ে যাও। পদত্যাদপত্র গ্রহণ না করলেও যে দুর্নীতির কথা বলেছিলাম সে ব্য়াপারে কর্ণপাত করেননি। উল্টে যে সব দুর্নীতি করেছে তারা পুরস্কৃত।"
'আমি নম্বর টু'
বৈশাখী বলেন, "আমার মনে অহংবোধ ভীষণ ভাবে কাজ করত। কথায় কথায় বলতেন আমি নম্বর টু। মমতার পরই আমি। মমতা আমাকে কিছু বলবেন না। খুব খোলাখুলি বলতেন আমি যা করি তাতে মমতার সিলমোহর থাকে। আমার ওঁর কাজকর্ম দেখে মনে হয়েছে, সেটা ওঁর টাকা হলে এ ধরনের দুর্নীতি। বেপরোয়া হয়ে গিয়েছিলেন। ক্ষমতার ঔদ্ধত্য হয়তো কাজ করেছে।"