Advertisement

Dr Mani Kumar Chhetri Death: জ্যোতি বসুর ডাক্তার ছিলেন বলেই বিখ্যাত নন, মণি ছেত্রী মানে একটি প্রতিষ্ঠান, কেন?

প্রয়াত বাংলার প্রবীণ চিকিৎসক মণি ছেত্রী। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০৬ বছর। রবিবার সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আর তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া সারা বাংলা তথা গোটা দেশের চিকিৎসা জগতে। 

চিকিৎসক মণি ছেত্রী প্রয়াতচিকিৎসক মণি ছেত্রী প্রয়াত
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 06 Apr 2026,
  • अपडेटेड 9:30 AM IST
  • প্রয়াত বাংলার প্রবীণ চিকিৎসক মণি ছেত্রী
  • । রবিবার সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন
  • তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া সারা বাংলা তথা গোটা দেশের চিকিৎসা জগতে

প্রয়াত বাংলার প্রবীণ চিকিৎসক মণি ছেত্রী। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০৬ বছর। রবিবার সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আর তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া সারা বাংলা তথা গোটা দেশের চিকিৎসা জগতে। 

সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন এই শতায়ু চিকিৎসক। বার্ধক্যজনিত অসুখেই ভুগছিলেন। দিন পনেরো আগে তিনি বালিগঞ্জের বাড়িতে পড়ে যান। গুরুতর চোট লাগে তাঁর। তারপর ভর্তি হয়েছিলেন একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে কয়েকদিন ভর্তি থাকার পর বাড়ি ফিরেছিলেন। তারপর রবিবার নিজের বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে খবর। 

চিকিৎসক হিসেবে সমাদৃত
পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসাব্যবস্থায় বিরাট নাম ডা: মণি ছেত্রী। তাঁর রোগ চেনার ক্ষমতা ছিল আশ্চর্যরকম। তাঁর রোগীর তালিকায় ছিলেন তাড়ব সব নাম। এমনকী পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুও ছিলেন তাঁর রোগী। নিয়ম করে ডা: ছেত্রীর ওষুধ খেতেন তিনি।

আর শুধু চিকিৎসাই, স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বদল আনার ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা রয়েছে ডা: ছেত্রীর। তিনি নিজের কর্মজীবনে একাধিক বড় পদ সামলেছেন।

কর্মজীবন নিয়ে দুই-চার কথা
১৯২০ সালে দার্জিলিঙে জন্ম এই বিশিষ্ট চিকিৎসকের। শুরুর পড়াশোনা দার্জিলিঙেই। তারপর কলকাতায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস, এমডি। তারপর এমআরসিপিও করেন। পরবর্তী সময় তিনি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবেও কাজ শুরু করেন। এছাড়া এন্ডোক্রিনোলজির প্রতিও তাঁর ঝোঁক ছিল প্রবল। 

আগেই বলেছি, শুধু চিকিৎসা নয়, এর পাশাপাশি একজন দক্ষ স্বাস্থ্যকর্তাও ছিলেন ডা: ছেত্রী। তিনি এসএসকেএম বা পিজি হাসপাতালের সার্জেন-সুপারিন্টেন্ডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব সামেলেছেন। এছাড়া কার্ডিওলজি ও মেডিসিন বিভাগের প্রফেসর-ডিরেক্টর হিসেবেও কাজ করেছেন ডা: ছেত্রী। এছাড়া বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোলজির দায়িত্বেও তাঁকে দেখা গিয়েছে। এছাড়া রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তার আসনেও তিনি বসেছেন। বলা হয়, তাঁর সময়ই পিজি হাসপাতালের আধুনিকীকরণ জোর কদমে শুরু হয়েযায়।

স্বাস্থ্যব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ খবর রাখা বিশেষজ্ঞদের মতে, ডা: মণি ছেত্রী ছিলেন একজন মহীরুহ। তিনি নিজের হাতে প্রচুর ছাত্র গড়েছেন। তৈরি করেছেন একের পর এক ইনস্টিটিউট। দেখিয়েছেন নতুন চিকিৎসার পথ। যদিও এই সব দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি রোগী দেখা ছাড়েননি। বরং নিয়মিত চিকিৎসা করতেন। আর তাই রোগীদের মধ্যেও অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন ডা: ছেত্রী। 

Advertisement

এখনও নিয়মিত পড়তেন
চিকিৎসা মহলে ডা: ছেত্রী ছিলেন একজন কর্মঠ মানুষ হিসেবে পরিচিত। কাজকে তিনি ভালোবাসতেন। পাশাপাশি তাঁর শখ ছিল পড়াশোনার। শোনা যায়, এই বয়সেও তিনি নিয়মিত পড়তেন। মেডিক্যাল সায়েন্সের যে কোনও আপডেটের খবর রাখার চেষ্টা করতেন তিনি। আর সেই জনপ্রিয় প্রবীণ চিকিৎসকেরই রবিবার মৃত্যু হল। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া চিকিৎসা মহলে। 

 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement