Advertisement

Kolkata SIR: কলকাতা পুরসভার মুসলিম অধ্যুষিত ওয়ার্ডগুলিতেই বেশি ‘বিচারাধীন’ ভোটার, উদ্বেগে বাসিন্দারা

কলকাতার এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠছে, শহরের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলিতে অস্বাভাবিকভাবে বেশি সংখ্যক ভোটারকে 'আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন' বা বিচারাধীন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

এপ্রিল মাসে ফের SIR এপ্রিল মাসে ফের SIR
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 05 Mar 2026,
  • अपडेटेड 10:51 AM IST
  • কলকাতার এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
  • অভিযোগ উঠছে, শহরের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলিতে অস্বাভাবিকভাবে বেশি সংখ্যক ভোটারকে 'আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন' বা বিচারাধীন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

কলকাতার এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠছে, শহরের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলিতে অস্বাভাবিকভাবে বেশি সংখ্যক ভোটারকে 'আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন' বা বিচারাধীন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

কলকাতা পুরসভার ৬২ নম্বর ওয়ার্ডের আলিমুদ্দিন স্ট্রিট এলাকায় প্রায় ২৫ শতাংশ ভোটার বর্তমানে বিচারাধীন। একইভাবে পাম অ্যাভিনিউ সংলগ্ন ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের একটি অংশে প্রায় ২৯ শতাংশ ভোটার এই তালিকায় রয়েছেন। এই দুই এলাকাই কলকাতার মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।

নির্বাচন কমিশনের সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ কলকাতায় মোট প্রায় ৭৮ হাজার ভোটারকে 'বিচারাধীন' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫৬ হাজার, অর্থাৎ প্রায় ৭১ শতাংশ ভোটারই দুটি বিধানসভা কেন্দ্র, কলকাতা বন্দর ও বালিগঞ্জ থেকে। এই দুটি এলাকাতেই মুসলিম ভোটারের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি।

সংখ্যাতত্ত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে কলকাতা বন্দর বিধানসভা কেন্দ্রের ক্ষেত্রে। সেখানে মোট ১,৭৯,২৩৯ জন ভোটারের মধ্যে ৩২,৩৭৮ জন, অর্থাৎ প্রায় ১৮ শতাংশ ভোটার বিচারাধীন। বিপরীতে রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ১,৫৮,৯৫৫ জন ভোটারের মধ্যে মাত্র ৮,১৫৭ জন, অর্থাৎ প্রায় ৫ শতাংশ ভোটার বিচারাধীন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।

চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর থেকেই বিএলও এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা তাঁদের এলাকায় কতজন ভোটার বিচারাধীন রয়েছেন তা খতিয়ে দেখছেন। সংখ্যাগুলি সামনে আসার পরই অনেকের দাবি, মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে অস্বাভাবিকভাবে বেশি ভোটারকে বিচারাধীন রাখা হয়েছে।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ৬০.০৬ লক্ষেরও বেশি ভোটার বর্তমানে 'আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন' অবস্থায় রয়েছেন।

এসআইআর প্রক্রিয়ার সময় ভোটারদের দেওয়া গণনার ফর্মে উল্লেখ ছিল যে, শুনানির নোটিশ পেলে স্বীকৃত বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট জমা দেওয়া যেতে পারে। তবুও অনেকেই দাবি করছেন, নথি জমা দেওয়ার পরেও তাঁদের নাম বিচারাধীন তালিকায় থেকে গেছে।

Advertisement

বিচারাধীন ভোটারদের অনেকেই ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাঁদের প্রশ্ন, যদি এই সময়ের মধ্যেই নাম বাদ পড়ে যায়, তাহলে কোথায় আপিল করবেন এবং নির্বাচনের আগে আবার নাম অন্তর্ভুক্ত করার মতো সময় আদৌ থাকবে কি না। অনেকের আশঙ্কা, নাম বাদ গেলে পুনরায় ভোটার তালিকায় নাম তুলতে দীর্ঘ ও হয়রানিমূলক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হতে পারে। 

দক্ষিণ কলকাতার অধীনে থাকা চারটি বিধানসভা কেন্দ্র, কলকাতা বন্দর, বালিগঞ্জ, রাসবিহারী এবং ভবানীপুরে মুসলিম জনসংখ্যা বেশি এমন এলাকাগুলিতে বিচারাধীন ভোটারের হার তুলনামূলকভাবে বেশি বলে অভিযোগ উঠেছে।
তথ্য অনুযায়ী, কলকাতা বন্দরে ১৮ শতাংশ, বালিগঞ্জে ১২ শতাংশের বেশি, ভবানীপুরে প্রায় ৮ শতাংশ এবং রাসবিহারীতে প্রায় ৫ শতাংশ ভোটার বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement