Advertisement

SIR আশঙ্কা কাটল সোনাগাছিতে, মাত্র ১২ জন 'বিচারাধীন', 'ডিলিটেড' কত?

কলকাতার সোনাগাছিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ঘিরে শুরু থেকেই উদ্বেগে ছিলেন যৌনকর্মীরা। ফর্ম পূরণের সময় আত্মীয়ের জায়গায় কার নাম লিখবেন, তা নিয়ে বিভ্রান্তিও ছিল অনেকের। এই পরিস্থিতিতে কতজনের নাম 'বিচারাধীন' বা ‘ডিলিটেড’, বিস্তারিত খোঁজ নিল bangla.aajtak.in।

সোনাগাছিতে এসআইআর ক্যাম্প।-ফাইল ছবিসোনাগাছিতে এসআইআর ক্যাম্প।-ফাইল ছবি
সুকমল শীল
  • কলকাতা,
  • 06 Mar 2026,
  • अपडेटेड 12:14 PM IST
  • কলকাতার সোনাগাছিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ঘিরে শুরু থেকেই উদ্বেগে ছিলেন যৌনকর্মীরা।
  • ফর্ম পূরণের সময় আত্মীয়ের জায়গায় কার নাম লিখবেন, তা নিয়ে বিভ্রান্তিও ছিল অনেকের।

কলকাতার সোনাগাছিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ঘিরে শুরু থেকেই উদ্বেগে ছিলেন যৌনকর্মীরা। ফর্ম পূরণের সময় আত্মীয়ের জায়গায় কার নাম লিখবেন, তা নিয়ে বিভ্রান্তিও ছিল অনেকের। এই পরিস্থিতিতে কতজনের নাম 'বিচারাধীন' বা ‘ডিলিটেড’, বিস্তারিত খোঁজ নিল bangla.aajtak.in।

এই প্রসঙ্গে দুর্বার মহিলা সমন্বয় সমিতির সম্পাদক বিশাখা লস্কর বলেন, 'শেঠবাগান ও দুর্গাচরণ মিত্র স্ট্রিট, এই দুই এলাকা মিলিয়ে মাত্র ১২ জনের নাম এখনও ‘বিচারাধীন’ রয়েছে। এছাড়া তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে তিনজনের নাম ‘ডিলিটেড’ হয়েছে। বাকি অধিকাংশের নামই ভোটার তালিকায় রয়েছে।'

উল্লেখ্য, যৌনকর্মীদের সমস্যার কথা মাথায় রেখে নির্বাচন কমিশন সোনাগাছিতে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করেছিল। রামবাগান, কদমতলা ক্লাব এবং শীতলা মন্দির, এই তিনটি জায়গায় আয়োজিত শিবিরে ৮০০-রও বেশি যৌনকর্মী উপস্থিত হয়ে নিজেদের সমস্যা তুলে ধরেন। ওই শিবিরে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালও।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই তিনটি শিবিরে মোট ৮০৩ জন অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে ২১০ জন ফর্ম-৬ জমা দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন করেছেন। এছাড়া ৫১টি ফর্ম-৮ জমা পড়েছে এবং ১২ জন এনুমারেশন ফর্ম জমা দিয়েছেন। তবে এখনও অনেকের নথিপত্র সংক্রান্ত জটিলতা রয়ে গেছে বলেই জানা যাচ্ছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, যৌনকর্মীদের নথি সংক্রান্ত বাস্তব সমস্যার কথা তুলে ধরে ‘আমরা পদাতিক’-সহ তিনটি সংগঠন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে চিঠি দিয়েছিল। সেই উদ্যোগের পরই নির্বাচন কমিশন এই বিশেষ শিবির আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়। কমিশনের তরফে সংগঠনগুলিকে জানানো হয়েছে, বিহারেও যৌনপল্লি থাকলেও সেখানে এই ধরনের উদ্যোগ কোনও সংগঠনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি।

বর্তমানে সোনাগাছিতে প্রায় ১০ হাজার যৌনকর্মী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় তিন হাজার প্রতিদিন কাজের জন্য সেখানে আসেন এবং কাজ শেষে নিজেদের বাড়িতে ফিরে যান। তবে প্রায় সাত হাজার যৌনকর্মী বহু বছর ধরে সোনাগাছিতেই স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তাঁদের অধিকাংশেরই ভোটার পরিচয়পত্র রয়েছে এবং তাঁরা নিয়মিত ভোটও দেন।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement