Advertisement

Suvendu Adhikari: 'মমতার বাড়িতে রেড হলে ১০০ কোটি বেরোবে,' বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

I-PAC অফিসে বুধবার সকাল থেকে রেড চালাচ্ছে ED। একইসঙ্গে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে এই সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতেও। সেখানে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধীব দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দু অধিকারী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়শুভেন্দু অধিকারী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 08 Jan 2026,
  • अपडेटेड 4:17 PM IST
  • I-PAC-এ তল্লাশি অভিযান ED-র
  • এই সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতেও তল্লাশি
  • শুভেন্দু বললেন, 'মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে রেড হলে ১০০ কোটি বেরোবে'

'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে রেড চালালে ১০০ কোটি টাকা উদ্ধার হবে।' এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার সকাল থেকে I-PAC-এর অফিস এবং সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ED। এর বিরোধিতায় দু'জায়গাতেই পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গোটা বিষয় সম্পর্কে শুভেন্দু বলেন, 'I-PAC এর অফিসে ভোটার লিস্ট কী করছে? কেন সেখানে ভোটার তালিকা থাকবে? এর আগেও একাধিকবার কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাজে বাধা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।'

শুভেন্দু অধিকারীর আরও প্রশ্ন, 'I-PAC কি কোনও পার্টি অফিস? I-PAC তো একটা কর্পোরেট সংস্থা। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ করছি, যে কোনও জায়গায় রেড করুন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে রেড করানো হোক। ১০০ কোটি টাকা উদ্ধার হবে সেখান থেকে।'

I-PAC-এর অফিসে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, 'আমাদের দলের সব ডেটা, সমস্ত ল্যাপটপ, হার্ড ডিস্ক, নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজি, SIR তথ্য সংক্রান্ত নথি বাজেয়াপ্ত করার চেষ্টা করেছি। এটা একটা ক্রাইম। আমাদের অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের অথরাইজড টিম এটা, কোনও বেসরকারি অফিস নয়। নির্বাচনের আগে সব কাগজ আবার নতুন করে তৈরি করতে গেলে তো ভোট পেরিয়ে যাবে। আমরা রেজিস্টার্ড পার্টি, আমরা কর দিই. অডিট হয়। আপনাদের কারও অফিসে ঢুকে যদি এমনটা করত? যদি কোনও প্রয়োজন থাকত, বলতে পারত ED। BJP-কে তো নোটিশ পাঠায় না IT। মানি পাওয়ার, মাসল পাওয়ার ব্যবহারের চেষ্টা করছে।'  

প্রতীক জৈনের বাড়িতে মমতার সটান পৌঁছে যাওয়ার নিয়ে শুভেন্দু বলেন, 'CP ও মুখ্যমন্ত্রীর যাওয়াকে অসাংবিধানিক ও অনৈতিক বলে মনে করি। রাজীব কুমারের সময়ও একই কাজ করেছিলেন। তৃতীয়বারের মতো তিনি এই কাজ করলেন। যদি ব্যবস্থা না নেন তাহলে পশ্চিমবঙ্গে ভুল বার্তা যাবে। আমার প্রবীণ বাবা-মাকে মুখ্যমন্ত্রী হেনস্থা করেছিলেন। আমার মুখ্যমন্ত্রীর মুখে এসব মানায় না। BJP কেন কোনও নেতার বাড়িতে পাঠিয়ে দেখুন, ৫১ কোটি টাকা পাবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ১০০ কোটি টাকা পাওয়া যাবে।'

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement