Advertisement

Lichen moth new species: বাতাসে বিষ কেমন? ইঙ্গিত দিতে পারে ২ নতুন প্রজাতির মথ, পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের পাহাড়ে মিলল খোঁজ

নতুন আবিষ্কৃত দুটি মথের নামকরণ করা হয়েছে আবিষ্কারকদের নাম এবং আবিষ্কারের সময় অনুসারে। একটি প্রজাতির নাম রাখা হয়েছে ‘ক্লোসেরা হলোওয়াই এস সিং, এন সিং অ্যান্ড ভট্টাচার্য ২০২৬’, আর অন্যটির নাম ‘অসুরা বক্সা ভট্টাচার্য, এস সিং, এন সিং ২০২৬’।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 12 Mar 2026,
  • अपडेटेड 1:17 PM IST
  • সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গে লিচেন মথের দুটি নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করেছেন জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া (জেডএসআই)-এর বিজ্ঞানীরা।
  • সিকিমের গোলিতার এবং পশ্চিমবঙ্গের পানিঝোড়া এলাকা থেকে এই দুটি নতুন প্রজাতির সন্ধান মিলেছে।

সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গে লিচেন মথের দুটি নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করেছেন জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া (জেডএসআই)-এর বিজ্ঞানীরা। সিকিমের গোলিতার এবং পশ্চিমবঙ্গের পানিঝোড়া এলাকা থেকে এই দুটি নতুন প্রজাতির সন্ধান মিলেছে। একই সঙ্গে ভারতীয় হিমালয় অঞ্চলে আরও সাতটি লিচেন মথের অস্তিত্বও চিহ্নিত হয়েছে, যাদের উপস্থিতির খবর আগে ভারতে পাওয়া যায়নি।

নতুন আবিষ্কৃত দুটি মথের নামকরণ করা হয়েছে আবিষ্কারকদের নাম এবং আবিষ্কারের সময় অনুসারে। একটি প্রজাতির নাম রাখা হয়েছে ‘ক্লোসেরা হলোওয়াই এস সিং, এন সিং অ্যান্ড ভট্টাচার্য ২০২৬’, আর অন্যটির নাম ‘অসুরা বক্সা ভট্টাচার্য, এস সিং, এন সিং ২০২৬’।

বিজ্ঞানীদের মতে, এই মথগুলি পরিবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। কারণ, লিচেন মথের শুঁয়োপোকা মূলত লাইকেন জাতীয় জীব খেয়ে বেঁচে থাকে, যা পরিষ্কার পরিবেশে বেশি জন্মায়। ফলে বায়ুদূষণ বাড়লে এই পতঙ্গগুলির সংখ্যা দ্রুত কমে যায়। সেই কারণে পরিবেশে দূষণের মাত্রা বোঝার ক্ষেত্রেও এই মথগুলির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

নতুন আবিষ্কৃত প্রজাতিগুলির দেহের গঠন, রং, শুঁড় এবং অন্যান্য শারীরিক বৈশিষ্ট্য অন্যান্য লিচেন মথের তুলনায় বেশ আলাদা। এই স্বাতন্ত্র্যই বিজ্ঞানীদের কাছে এগুলিকে নতুন প্রজাতি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হয়ে উঠেছে।

এই আবিষ্কার সংক্রান্ত গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘জুট্যাক্সা’-তে প্রকাশিত হয়েছে। জেডএসআই-এর অধিকর্তা ধৃতি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, লেপিডপ্টেরা গোষ্ঠীর মতো তুলনামূলক কম পরিচিত পতঙ্গের বৈচিত্র্য বোঝার ক্ষেত্রে এই আবিষ্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ভারতীয় হিমালয় অঞ্চলে বায়ুদূষণের সূচক হিসেবেও এই প্রজাতিগুলির ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

তিনি আরও জানান, হিমালয়ের জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ এলাকায় ধারাবাহিক অনুসন্ধান ও গবেষণার ফলেই এ ধরনের নতুন প্রাণীর সন্ধান মিলছে, যা ভবিষ্যতে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement