
স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম দিবস উপলক্ষে সোমবার সকাল বেলাতেই সিমলা স্ট্রিটে পৌঁছে গেলেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন সকালেই স্বামীজির বাড়িতে পৌঁছে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। স্বামীজির মূর্তিতে মাল্যদান করার পাশাপাশি, এদিন বিজেপির যুব মোর্চাকে চাঙ্গা করার বার্তা দেন সুকান্ত মজুমদার। পাশাপাশি, শুভেন্দু অধিকারীও এদিন রাজ্য সরকারের উদ্দেশে তোপ দাগেন।
বাংলার আসল যুবরাজ কে?
স্বামীজির মূর্তিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানোর পর শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তিনি গত ২২ বছর ধরে সিমলা স্ট্রিটে যাচ্ছেন। বিজেপির তরফ থেকে যে ব্যানার ওই এলাকায় লাগানো হয়, তাতে তিনি নিজের নাম পর্যন্ত উল্লেখ করেন না বলে জানিয়ে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন। বিরোধী দলনেতা বলেন, "স্বামীজিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে যে ব্যানারে আমরা দিই, সেখানে আমার নাম ব্যবহার করতে দিই না। আর এর উল্টো দিকে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোকে যুবরাজ লেখা হচ্ছে। স্বামীজির বাড়িতে, স্বামীজিই একমাত্র যুবরাজ।"
তৃণমূলকে আক্রমণ করেন সুকান্ত মজুমদার
অন্যদিকে 'বিবেক যাত্রা'র পর স্বামীজিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে সুকান্ত মজুমদারও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে। তিনি দাবি করেন, "বাংলার মাটিতে এখন আর প্রতিভা থাকছে না। একটা সময় যে বাংলা স্বামী বিবেকানন্দের মাটি এখন কয়লা পাচারকারীদের মাটিতে পরিণত হয়েছে। কারণ বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো প্রতিভা গড়ে তুলতে যে পরিবেশ দরকার, তা এখন বাংলায় নেই। সেই পরিবেশ গড়ে তুলতে পারে একমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টি।"
রাজ্যের বিপুল সংখ্যক পরিযায়ী শ্রমিক নিয়েও তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করেন সুকান্ত। তিনি প্রশ্ন করেন, "এগিয়ে বাংলার রাজ্য থেকে কেন ৬০-৭০ লক্ষ মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে ভিন রাজ্যে কাজ করতে হচ্ছে?" সুকান্ত দাবি করেন, খুব শীঘ্রই বাংলায় বদল আসছে। পাশাপাশি, সিমলা স্ট্রিটে অভিষেকের 'যুবরাজ পোস্টার' নিয়েও কটাক্ষ করতে ভোলেননি সুকান্ত।